kalerkantho

বুধবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৫ সফর ১৪৪২

'সত্যিই আমি কৃষক লীগের পদ চাইনি'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ১৪:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'সত্যিই আমি কৃষক লীগের পদ চাইনি'

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সহযোগী সংগঠন, বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে গত মেয়াদে সহসভাপতি পদে ছিলাম। সর্বশেষ গত ৬ নভেম্বর ২০১৯ জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে কৃষক লীগের নতুন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শিগগিরই তারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি করবেন। কারা কোন পদ চান, বিগত কমিটির কার কোন পদে থাকার ইচ্ছে এই আগ্রহের কথা নতুন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক জানতে চেয়ে একটি জীবনবৃত্তান্ত সংশ্লিষ্ট সকলকে জমা দিতে বলেছিলেন। সে সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছে গত ১০ নভেম্বর। 

আমি ব্যক্তিগতভাবে কৃষক লীগের কোনো স্তরে কোনো পদে থাকার আগ্রহ দেখাইনি। 

ঢাকা টাইমসে আমার সহকর্মী হাবিবুল্লাহ ফাহাদ এ বিষয়ে গতকাল (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ আইডিতে একটি পোস্ট দেয়। যার সূত্র ধরে বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের পাতা, পূর্বপশ্চিমবিডি ডটকম, বিবার্তা ডটকমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদও প্রকাশ করেছে। গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই অনেকে টেলিফোনে, ফেসবুক মেসেঞ্জারে জানতে চান, ঘটনা সত্যি কি-না?

হ্যাঁ, সত্য-আমি কৃষক লীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুক্ত না হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছি। প্রথমত, নতুনদের কাজ করতে দেওয়া, নেতৃত্বে আসতে সুযোগ করে দেওয়া উচিত মনে করি। পাশাপাশি আমার রাজনৈতিক, সামাজিক কর্মকাণ্ডের আরো ক্ষেত্র রয়েছে। 

আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ফরিদপুর জেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য। সেখানে আমার মেধা, অভিজ্ঞতা, কর্তব্যনিষ্ঠার স্বাক্ষর রাখব সকলের সহযোগিতায়। সমাজসেবার পারিবারিক ঐহিত্যকে সঙ্গে নিয়ে আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, মধুখালীর তৃণমূল স্তরের মানুষের সঙ্গে নিরন্তরভাবে বিগত কয়েক বছর ধরে বিরামহীন কাজ করছি। আমৃত্যু একাজে নিয়োজিত থাকব। 

সংবাদকর্মী, রাজনৈতিককর্মীর ভালো কাজ বা সমাজসেবামূলক কাজ ইতিবাচকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই যেভাবে রক্ষণশীল মানসিকতা দেখান- নিজে বারবার কাছ থেকে তা প্রত্যক্ষ করছি। অকারণে বারবার সমালোচনার পাত্র হওয়া, কিংবা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ঈর্ষার তীরকে উপেক্ষা করেই রাজনৈতিক কর্মীর এগিয়ে যেতে হয়। সংবাদকর্মীরও তাই। দুটো কাজকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে করব। পেশাগত সাংবাদিকতায় বহু রক্তচক্ষু অনায়াসেই উপেক্ষা করেছি। যারা ষড়যন্ত্র করে নিজের পথের কাঁটা মনে করে আমাদের নিয়ে অহেতুক সময় নষ্ট করছেন তাদের বলব, ভালো কাজের প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যান। 

মানুষের সেবায় আরো বেশি কাজ করব, এটাই আমার অঙ্গীকার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা