kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কফিনের ভেতর থেকে বের হওয়ার আকুতি, অতঃপর...

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ২২:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কফিনের ভেতর থেকে বের হওয়ার আকুতি, অতঃপর...

মানুষের ইচ্ছের কোনো শেষ নেই। তবে আইরিশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রাক্তন কর্মী শে ব্রাডলির শেষ ইচ্ছার কথা জানলে চমকে ওঠবেন!‌ আয়ারল্যান্ডের কিলকেনি প্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন ৬২ বছরের শে ব্রাডলি। ১২ অক্টোবর তিনি মারা যান। ওই দিনই তার মরদেহ কফিনবন্দি করা হয়। দেহ মাটির তলায় চাপা দেওয়া হয়। আর তারপরই সবাই চমকে যান। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আচমকা কফিনের ভেতর থেকে ভেসে আসে ব্রাডলির গলার আওয়াজ। ‘‌আমাকে বের করো। এখানে ভীষণ অন্ধকার। কেউ কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?‌ আমি শে। কফিনের মধ্যে রয়েছি।’‌ ব্রাডলির গলার আওয়াজ শুনে তার শেষকৃত্যে আসা অনেকেই চমকে যান। ভয়ও পেয়ে যান অনেকে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ব্রাডলির শেষ ইচ্ছার কথা জেনে অনেকে হেসে ওঠেন। এটাই ছিল তার শেষ ইচ্ছা।

মৃত্যুর আগে তিনি শেষ কথা রেকর্ড করে রেখে গিয়েছিলেন। নির্দেশ ছিল কফিনের মধ্যে টেপ রেকর্ডারটি যেন রেখে দেওয়া হয়। কফিনের ভেতর থেকে ব্রাডলির শেষ কথা বেরিয়েছে, হ্যালো.‌.‌.‌হ্যালো.‌.‌.‌সবাইকে বিদায় জানাচ্ছি।

ব্রাডলির মেয়ে আন্দ্রেয়া বলেন, ‌বাবা তিন বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত এক বছর ধরে অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। তিনি চিরকালই ছিলেন প্রাণোচ্ছল। মজা করতে ভালবাসতেন। বাবার শেষ ইচ্ছার কথা আমার ভাই, নাতি, নাতনিরা ছাড়া আমি জানতাম। তাই অনেকে চমকে গিয়েছিলেন কফিনের ভেতর থেকে বাবার গলার আওয়াজ শুনে। তার মধ্যে আমার এক বোনও ছিল। যদিও কিছুক্ষণ পরে সবাই গোটা বিষয়টি বুঝতে পারে।

সূত্র: বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা