kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব ঘিরে আলোচনায় যারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃত্ব ঘিরে আলোচনায় যারা

স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক প্রস্তুতি সভায় নেতারা

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন হওয়ার পর সাত বছর পার হতে যাচ্ছে; সংগঠনটির নেতৃত্বের পালাবদল ঘিরে পদ প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপও শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আরও তিনটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের তারিখ একসঙ্গে ঘোষণা করা হয়।

জানা গেছে, চলতি বছরের ১৬ নভেম্বর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন। তার আগে ১১ ও ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন। দীর্ঘ সময় পর সম্মেলন ঘিরে ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। যারা দুর্নাম কুড়িয়েছে, তারা এবার বাদ পড়বেন বলেও তাদের প্রত্যাশা।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, ইমেজ নষ্ট, এমন কেউ নেতৃত্বে আসতে পারবে না। যারা নেতৃত্বে আসবে, তাদের অবশ্যই সৎ, অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিক হতে হবে।

এর আগে ২০১২ সালে মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি এবং পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও ওই কমিটিই এখনো কাজ করে যাচ্ছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকার দুই শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতে লড়াইয়ে অন্তত এক ডজনেরও বেশি নেতা রয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ শাকিব বাদশা, আব্দুল আলীম বেপারী ও খায়রুল হাসান জুয়েল রয়েছেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদের লড়াইয়ে।

শেখ সোহেল রানা টিপু বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগে নেতৃত্ব পাওয়ার প্রধান মানদণ্ড হোক ক্লিন ইমেজ, ত্যাগী মনোভাব, সাংগঠনিক দক্ষতা। জাতির পিতার আদর্শে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মানুষের জন্য রাজনীতি করি। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা