kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মিজোরামে এইচআইভি আক্রান্তের হার বেশি, প্রতিদিন চিহ্নিত হচ্ছে নয়জন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিজোরামে এইচআইভি আক্রান্তের হার বেশি, প্রতিদিন চিহ্নিত হচ্ছে নয়জন

এইচআইভি এইডস ভাইরাস এখন ভারতের মিজোরাম সরকারের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ভারতের অন্য রাজ্যগুলোকে পেছনে ফেলে এইচআইভি প্রসারে শীর্ষে উঠে এসেছে মিজোরাম। স্বাভাবিকভাবেই মিজোরাম প্রশাসনের কাছে বিষয়টি উদ্বেগের।

মিজোরাম স্টেট এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির (এমএসএসিএস) আরেকটি রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, সেই রাজ্যে প্রতিদিন গড়ে নয়জনের রক্ত পরীক্ষায় এইচআইভি পজিটিভ ধরা পড়ছে। 

অপর এক রিপোর্ট অনুসারে, এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণ প্রবণতা যে রাজ্যগুলোতে সব থেকে বেশি, সেই তালিকায় মিজোরাম শীর্ষ স্থানে রয়েছে। তালিকায় পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে মণিপুর ও নাগাল্যান্ড।

মিজোরাম স্টেট কন্ট্রোল সোসাইটির কার্যনির্বাহী অধিকর্তা ডক্টর লালথালেংলিনীর জানান, এইচআইভি পজিটিভ কেসগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এই রোগ সংক্রমণের প্রবণতা সবথেকে বেশি। 

পাশাপাশি ৩৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী পুরুষ ও নারীদের মধ্যেও এই রোগ সংক্রমণের প্রবণতা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তিনি জানান, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীরাও আক্রান্তের তালিকায় রয়েছেন। এই তিনটি বয়সের গ্রুপের ক্ষেত্রে এইচআইভি বিস্তারের হার যথাক্রমে ৪২.৩৮%, ২৬.৪৬% এবং ২৩.০%।

মিজোরামে বিপুল হারে এইচআইভি ছড়িয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে অরক্ষিত যৌন সম্পর্ককে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। বর্তমানে এই রাজ্যে অরক্ষিত যৌন সংসর্গের মাধ্যেমে এই মারণ ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার হার প্রায় ৬৭.২১ শতাংশ ছুঁয়েছে। 

এক শতাংশের বেশি সংক্রমণ হচ্ছে সমকামিতার কারণে। এছাড়া সংক্রামিত ছুঁচ ও ব্লেড ব্যবহারের কারণে প্রায় ২৮.১২ শতাংশ এইচআইভি ভাইরাসের শিকার হচ্ছেন বলে একটি বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, ২০১৭ সালে ভারতে প্রায় ৬৯ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারায় এইডসের আক্রমণে। পাশাপাশি ন্যাকোর অপর একটি রিপোর্টে দেখা যায় আসাম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, হরিয়ানা, দিল্লি ও উত্তরাখণ্ডে এইডসের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে কমেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা