kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

মণ্ডপ থেকে নিখোঁজ মেয়ের দেহ উদ্ধার, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মণ্ডপ থেকে নিখোঁজ মেয়ের দেহ উদ্ধার, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

নতুন জামা গায়ে দিয়ে সন্ধ্যায় পূজা দেখতে বের হয়েছিল মেয়েটি। দশমীর সকালে মিলেছে তার মরদেহ। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ১০ বছর বয়সী ওই মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। 

ভারতের আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটার ধনিরামপুর ২ পঞ্চায়েত এলাকার ওই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খোঁজ চলছে আরো দুই জনের।

পুলিশ বলছে, নিহত নাবালিকার বাড়ি ধনিরামপুর ২ পঞ্চায়েতের ঘাটপাড় সরুগ্রাম এলাকায়। তাদের বাড়ি থেকে দু’শ মিটার দূরেই পূজা হয়। স্বজনরা বলছেন, সোমবার, নবমীর সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওই পূজা মণ্ডপে গিয়েছিল নাবালিকা। সেখানে একটি নাচের প্রতিযোগিতায় যোগ দেয় সে। তার পর আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায়। নাবালিকার স্বজনরা অনেক খুঁজেও পাননি। মঙ্গলবার সকালে মণ্ডপ থেকে প্রায় দু’শ মিটার দূরে একটি সেচখালের ধারে নাবালিকার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। কিন্তু স্নিফার ডগ এনে ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার বাসিন্দারা। শেষ পর্যন্ত সেখানে স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি শুরু হয়।

এরই মধ্যে নাবালিকার বাবা পুলিশের কাছে এলাকারই বাসিন্দা সঞ্জয় মল্লিক ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই সঞ্জয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আটকের দুই ভাইয়ের খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নাবালিকার বাবা পেশায় দুধ বিক্রেতা। আটকের পরিবারের সঙ্গে তার ব্যবসা-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন থেকেই বিবাদ রয়েছে। যার জেরে দুই পরিবারই একে অপরের বিরুদ্ধে পুলিশে গেছে। প্রাথমিক তদন্তে নাবালিকার গলায় আঘাতের চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ। 

পুলিশের ধারণা, গলায় দড়ি বা কোনো কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ওই মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা তা জানতে দেহ ময়না-তদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা