kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

দীপ্তিময় দীপ্তির গল্প

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৪:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দীপ্তিময় দীপ্তির গল্প

কবিতা আবৃত্তিতে টানা আটবার জেলা চ্যাম্পিয়ন, তিন বার বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন, বিতর্কে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন,২০১৮ সালে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় ২০১৮ সালে ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত...।

উপস্থিত বক্তৃতায়ও রয়েছে প্রচুর  পুরষ্কার। ২০১৮ সালে জাতীয় শিশু পুরষ্কার প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক গল্প বলা বিষয়ে রৌপ্য অর্জন ছোটবেলায় গান, একক অভিনয় ইত্যাদি  বিষয়েও অংশগ্রহণ করেছে দীপ্তি চৌধুরী। ওর গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। যেখানেই স্পর্শ করে সেখানেই সফলতা। শুধু তাই নয়, পড়াশোনাতেও দারুণ মেধাবী এই কিশোরী। চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পেয়েছে জিপিএ ৫। ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ভর্তি হয়েছে ঢাকার হলিক্রস কলেজে।

দীপ্তির কথা, 'আসলে আমার পরিবার এসব বিষয়ে অনেক আন্তরিক। তাই মফস্বলে থেকেও এতো কিছু করতে পেরেছি। ছোটবেলা থেকেই জেনেছি ভালোর কোনো শেষ নেই। তাই ছুটতে হবে সত্যের পথে। ২০১৬ সাল থেকে আমি কাজ করছি দেশের কিশোর- কিশোরীদের নেটওয়ার্ক স্বর্ণকিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের সাথে।'

দীপ্তির মা ওর বেস্ট ফ্রেন্ড। ওর কথায়, 'আমার মা আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু, তাই তো আমি সবকিছুই খুব সহজভাবে করে ফেলতে পারি। মা পাশে থাকলে সব সহজ ও সাবলীল হয়ে যায়, কেননা সবকিছুই আমি মাকে বলতে পারি। 

এছাড়াও দীপ্তি কাজ করেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কিশোরী স্বাস্থ্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে। ২০১৮ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত গেইন এর 'এডুলেসেন্টস‌‌,এজেন্টস অব চেঞ্জ ফর আ ওয়েল নারিশ্ড ওয়ার্ল্ড' শীর্ষক গ্লোবাল  মিটিং এ বাংলাদেশের কিশোর কিশোরীদের প্রতিনিধিত্ব করে দীপ্তি।

দীপ্তি অবসরে গল্পের বই পড়ে। সাহিত্যের প্রতি দারুণ ঝোঁক রয়েছে। শখ উপস্থাপনা করা। এসব নিয়েও দীপ্তি জীবনের নলক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছে। বড় হয়ে হতে চায় পুলিশ অফিসার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা