kalerkantho

খুন হওয়ার আগে প্রেমিকার সঙ্গে রাজেশ ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছিল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুন হওয়ার আগে প্রেমিকার সঙ্গে রাজেশ ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছিল

ভারতের নদিয়ার হোগলবেড়িয়ার যুবক নিহতের ঘটনার ব্যাপারে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে তদন্তকারীরা। জানা গেছে, গত সোমবার রাতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রেমিকার সঙ্গেই ছিলেন নিহত রাজেশ। 

তদন্তকারীরা বলছেন, রাতেও বাড়ি ফেরেনি ওই যুগল। প্রেমিকার সামনেই তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে কিনা সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের মনে।

সোমবার বিকেলে নদিয়ার হোগলাবেড়িয়ার জামশেরপুরের বাড়ি থেকে বের হন ২৫ বছর বয়সী রাজেশ রায়। কিন্তু তিনি আর বাড়িতে ফিরে যাননি। এরই মধ্যে একাধিকবার রাজেশের খোঁজে তার বাড়িতে যায় প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা। 

পরে ভোররাতে প্রেমিকার পরিবার রাজেশের মাকে জানায়, তারা হত্যা করেছেন তার সন্তানকে। অভিযুক্তদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় রাজেশের মরদেহ। এরপর নিহতের প্রেমিকা ও তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছে তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, সোমবারও পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজেশের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। দীর্ঘ সময় একসঙ্গে ছিলেন তারা। এলাকার একটি পানের বরজে একান্ত সময়ও কাটিয়েছেন তারা। 

তিনি আরো জানিয়েছেন, এরপর রাতের বেলা রাজেশকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু যেতে চাননি তিনি। ঘটনাচক্রে সেদিন গৃহশিক্ষক বাড়িতে ফোন করে জানিয়ে দেন যে পড়তে যাননি তিনি। কিন্তু তারপর কী ঘটেছে সে ব্যাপারে প্রিয়াঙ্কা কিছু বলেননি। 

এদিকে ওড়নায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রাজেশকে পাওয়া যায়। সেই ওড়না প্রিয়াঙ্কার কিনা সেসব প্রশ্নের উত্তরও খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তবে জানা গেছে, প্রিয়াঙ্কা ও তার বাবা-মাকে আদালতে তোলা হবে। এরই মধ্যে প্রিয়াঙ্কাকে হোমে পাঠানো হয়েছে। 

আর তার বাবা-মাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অভিযোগ রয়েছে, তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও এখনো বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা। 

রাজেশের বন্ধুদের দাবি, কেরালা থেকে ফেরার পর থেকেই ফোন এলে সরে যেতেন রাজেশ। কারো সঙ্গে সারাদিন হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতেন। কিন্তু জানতে চাইলে কিছুই বলতেন না। যদি আর্থিক পরিস্থিতির কারণে রাজেশের সঙ্গে সম্পর্ক মানতে অস্বীকার করে থাকে প্রিয়াঙ্কার পরিবার, সে ক্ষেত্রে হত্যার সিদ্ধান্ত কেন?

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা