kalerkantho

২৩ হাজার জরিমানা দিয়ে ১৫ হাজারের স্কুটি যে কারণে ফেরত চান তিনি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২৩ হাজার জরিমানা দিয়ে ১৫ হাজারের স্কুটি যে কারণে ফেরত চান তিনি

ভারতের গুরুগ্রামে গতকাল মঙ্গলবার এক স্কুটি চালককে পাঁচটি মামলা দেয় পুলিশ। যার জন্য তাকে জরিমানা স্বরূপ ২৩ হাজার টাকা দিতে হবে। চালকের মতে তার স্কুটির বর্তমান মূল্য ১৫ হাজার টাকা হতে পারে।

অর্থাৎ তাকে যে টাকা জরিমানা করা হয়েছে, তার চেয়েও স্কুটির দাম কম। গাড়ির চালক দীনেশ মদন জানান, আমার হেলমেটটা হাতে ছিল, তাই আমাকে হেলমেট না থাকার জরিমানা করা হয়েছে। আমার কাছে স্কুটির কোনো কাগজপত্র ছিল না, আমি তাড়াহুড়োর কারণে কাগজপত্র রাখতে ভুলে যাই। পুলিশ সেই সময় অতিরিক্ত ব্যস্ত থাকার জন্য হয়তো আমার কথাগুলো ঠিক মতো শোনেনি।

তিনি আরো বলেন, 'আমি হোয়াটস্যাপ-এ আমার আরসি কপির ছবি চেয়ে পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু তা আসার মধ্যেই আমাকে জরিমানা করা হয়ে যায়। আদালতের কাছে আমার একটাই আবেদন, আমার জরিমানা যতটা সম্ভব কম করা হোক। আমি নিজের ভুল স্বীকার করছি, আর আদালত আমাকে যা বলবে, আমি তাই পালন করব।  আজকের পর গাড়িতে সমস্ত কাগজপত্র রাখব এবং সবসময় হেলমেট মাথায় দিয়ে স্কুটার চালাব।

দীনেশ আরো বলেন, আমি আজকাল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু এমন আলোচনা যেন কাউকে নিয়ে না হয়, আমি সেটাই চাইব। আমি ২০১৫ সালে এই স্কুটিটা কিনেছি। এখন এর দাম ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার হবে। কিন্তু আমি নিজের জরিমানা দিতে প্রস্তুত। আমি ভাবতে পারতাম যে স্কুটির দাম ১৫ হাজার টাকা থেকে ১৮ হাজারের বেশি হবে না, তার জন্য ২৩ হাজার টাকা কেন দেব? কিন্তু আমার মনে হয়, যদি আমি এমন কাজ করি তাহলে অন্যের কাছে সেটা ভুল বার্তা প্রেরণ করবে।

প্রসঙ্গত মঙ্গলবার গুরুগ্রামে মাথায় হেলমেট না থাকার জন্য ও সেইসহ উপযুক্ত কাগজ-পত্র না দেখতে পারার কারণে সব মিলিয়ে দীনেশকে ২৩ হাজার টাকার চালান কাটা হয়। তার স্কুটিটি পুলিশ নিয়ে গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা