kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পুতুল না মমি? ৮৯ বছর ধরে রহস্যের কেন্দ্র ‘লা পাসকুয়ালিতা’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুতুল না মমি? ৮৯ বছর ধরে রহস্যের কেন্দ্র ‘লা পাসকুয়ালিতা’

মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়ার বিখ্যাত পোশাকের দোকানে দেখতে পাওয়া যায় ‘লা পাসকুয়ালিতা’র ম্যানিকুইন। বিগত ৮৯ বছর ধরে একটি পোশাকের দোকানের দরজার পাশে কাঁচের ভেতর বিয়ের সাজে দাঁড়িয়ে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর এ ম্যানিকুইন বা পুতুলটি।

পোশাকের দোকানের সামনে বা বাইরে ম্যানিকুইন দাঁড় করিয়ে রাখাটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে এই ম্যানিকুইনটিকে ঘিরে দেশ-বিদেশ থেকে আশা হাজার হাজার পর্যটকের কৌতুহল যেন ফুরতেই চায় না! কারণ, এই ম্যানিকুইনটির ত্বক, নখ একেবারে জীবন্ত মানুষের মতোই। এটির সঙ্গে জরিয়ে রয়েছে এক অদ্ভুত কাহিনি আর বিশ্বাস। 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ১৯৩০ সালের ২৫ মার্চ থেকে রয়েছে এই ম্যানিকুইনটি। শোনা যায়, ১৯৩০ সালে ওই দোকানের তত্কালীন মালিক পাসকুয়ালা এসপারজা’র সঙ্গে এই ম্যানিকুইনটির মুখের অবিকল মিল। জীবন্ত মানুষের মতোই অবিকল এই ম্যানিকুইনটির ত্বক, নখ, শিরা-উপশিরাগুলো। যে কারণে এটিকে নিয়ে মানুষের কৌতুহল আর কাহিনি যেন ফুরতে চায় না!

চিহুয়াহুয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, এটি মোটেই কোনো ম্যানিকুইন নয়। এটি আসলে এই দোকানের তত্কালীন মালিক পাসকুয়ালা এসপারজার মেয়ের মমি বা সংরক্ষিত মৃতদেহ। জানা যায়, দোকানে এই ম্যানিকুইনটি বসানোর কিছু দিন আগেই বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে মৃত্যু হয়েছিল এসপারজার যুবতী মেয়ের। স্মৃতিকে আগলে বেঁচে থাকতেই তার পর মেয়ের দেহকে মমি বানিয়ে সংরক্ষণ করে রাখেন পাসকুয়ালা এসপারজা।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস যা-ই হোক না কেন, মেয়ের দেহকে ম্যানিকুইন বানিয়ে দোকানে সংরক্ষণ করে রাখার বিষয়টি বরাবর অস্বীকার করেছেন পাসকুয়ালা এসপারজা ও তার স্ত্রী। 

এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, মেক্সিকোর যা আবহাওয়া, তাতে এত দিন ধরে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। তবে ‘লা পাসকুয়ালিতা’র এই ম্যানিকুইনটি এতটাই নিখুঁত যে তা আজও অবাক করে শিল্পীদের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা