kalerkantho

পুড়ছে অ্যামাজন, ঘরে বসে যা করতে পারেন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৯ ১৭:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পুড়ছে অ্যামাজন, ঘরে বসে যা করতে পারেন

পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বড় জঙ্গল অ্যামাজন। ছোট-বড় মিলিয়ে সেখানে ৪০ হাজার জায়গায় আগুন একটু একটু করে শেষ করে দিচ্ছে পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেনের যোগানদাতা অরণ্যটি। 

ঘটনাটি আন্তর্জাতিক যেমন, একই সঙ্গে স্থানীয়ও বটে। আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো এই জঙ্গলের কথা শুধু বইয়ে পড়বে। এভাবে চলতে থাকলে  পৃথিবীতে আর কোনো অরণ্য থাকবে না।

তবে দিনের শেষে ঘুমাতে যাওয়ার আগেই পৃথিবীর কাছে নিজেদের দায়বদ্ধ মনে করেন যারা, সমাজের কাছে দায়বদ্ধ মনে করেন, তারা জেনে রাখুন সব ঘটনার প্রতিবাদ সেই স্থানে গিয়ে করা যায় না। তবে প্রতিবাদ শুরু হতে পারে আপনার ঘর থেকেও। 

অ্যামাজন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে, আপনার কি কিছুই করার নেই? প্রকৃতির কাছ থেকে শুধু না নিয়ে প্রকৃতিকে কিছুই কি ফিরিয়ে দিতে পারে না মানুষ? আমরা যদি না পারি ফিরিয়ে দিতে, শেখাতে হবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

যেভাবে করবেন সেই কাজ

আপনার সন্তান, সন্তানতুল্য যে কাউকে যখনই সময় পাবেন প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শেখাবেন। গাছ, প্রাণী, আকাশ-মাটি-পানি সবকিছুকে নিয়ে একসাথে থাকতে শেখাবেন। এটা আপনার অবর্তমানে আপনার প্রজন্মের অবর্তমানে আপনার সন্তান অথবা সন্তানের বন্ধু সে হয়তো কখনো প্রতিবাদ গড়ে তুলবে যদি প্রকৃতির সাথে অন্যায় হয়।

সবুজ ভালোবাসতে শেখান

বাড়ি যতই ছোট হোক অথবা ফ্ল্যাট হোক, চারাগাছ পুঁতবেন। সবুজের প্রতি যেন একটা টান তৈরি হয় সন্তানের। আপনার সন্তানকে শেখালে সে তার স্কুলে পাড়ায় বন্ধু-বান্ধবদের শেখাবে। এভাবেই বদলায় সমাজ। বাড়িতে গাছ পুঁতুন, দু’বেলা পানি দিতে শেখান। গাছদের জন্য ভাবতে শেখান।

ফুল ছিঁড়তে উৎসাহিত করবেন না

আপনার সন্তানকে খুব দরকার না পড়লে ফুল তুলতে উৎসাহিত করবেন না। আপনার সন্তানকে বোঝান, ফুলদানিতে ফুল মানায় ভালো, কিন্তু এদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা গাছ।

যে কোনও অনুষ্ঠানে গাছ উপহার দিন

জন্মদিন উদযাপন অথবা যে কোনো উল্লেখযোগ্য দিনকে মনে রাখার মতো করে তুলতে বাড়িতে গাছ নিয়ে আসুন। পরিবারের সদস্যদের গাছ উপহার দিন নিয়ম করে। তাহলেই ছোটবেলা থেকে আপনার সন্তান গাছকে পরিবারের সদস্য মনে করবে।

সন্তানের সঙ্গে সময় কাটান সবুজের সমারোহে

ছুটির দিনে সন্তানের সঙ্গে বাগানে গিয়ে কোয়ালিটি টাইম কাটান, গাছের যত্ন নিন। শিশুর ছোটবেলা থেকে যেন দেখে, তার বাবা-মা তার প্রতি যতটা যত্নশীল, বাড়ির গাছদের প্রতি ঘরের কোণে রাখা ক্যাকটাসের প্রতি, ছাদে উঠে আসা মানিপ্লান্টের প্রজাপতির প্রতি, ঘরে ভুল করে ঢুকে পড়া ছাতার পাখিটার প্রতি একই রকম যত্নশীল সহানুভূতিশীল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা