kalerkantho

জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া থেকে তাড়াতে অনলাইন পিটিশন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:৪৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া থেকে তাড়াতে অনলাইন পিটিশন

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত হিন্দুরা ভারতের সংখ্যালঘুদের চেয়ে শতগুণ বেশি সুবিধা পাচ্ছে এবং চীনের নাগরিকরা মালয়েশিয়ায় অতিথির মতো ছিল বলে মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন মুসলিম ধর্মপ্রচারক জাকির নায়েক। 

একপর্যায়ে গত সোমবার তাকে ১০ ঘণ্টা ধরে ওই মন্তব্যের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার তিনি বিষয়টি নিয়ে সবার কাছে ক্ষমা চান। যদিও নিজে সঠিক অবস্থানে রয়েছেন বলে দাবি করেন জাকির নায়েক।

এদিকে মালয়েশিয়া থেকে জাকির নায়েককে বের করে দেওয়ার জন্য অনলাইন পিটিশন পোল চালু করা হয়েছে ১২ আগস্ট থেকে। কলিন নাথান নামের এক অ্যাকাউন্ট থেকে সেই পিটিশন পোল চালু করা হয়। সেখানে দেড় লাখ মানুষের সমর্থন পাবার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। প্রথমদিকে ধীর গতিতে তাতে 'ভোট' পড়লেও বর্তমানে দ্রুত ওই পিটিশন পোলে ভোট পড়ছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এক লাখ ছয় হাজার ছয়শ ৮০ জন জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া থেকে বের করে দেওয়ার পিটিশনে সমর্থন দিয়েছেন।

ওই পোলের নিচের কমেন্ট সেকশন ভরে গেছে নানাজনের মন্তব্যে। সেখানে প্রায় সবগুলোই জাকির নায়েককে বের করে দেওয়ার পক্ষে মন্তব্য।  

এদিকে নিজের বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মঙ্গলবার এক ভিডিওবার্তায় জাকির নায়েক বলেন, কুরআনের অর্থ এটিই। বিশ্বজুড়ে শান্তি ছড়িয়ে দেওয়া আমার উদ্দেশ্য। যদিও আমি নিজের কথা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি। আমি মনে করি যে, এই ভুল বোঝাবুঝির কারণে যারা আহত হয়েছেন, সবার কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি চাই না যে, কেউ আমার প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করে রাখুক।

তিনি আরো বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে কখনো আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না। এটা ইসলামের মূলনীতির বাইরে এবং এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

এর আগে জাকির নায়েক বলেছিলেন, 'ভারতের মুসলিম সংখ্যালঘুদের চেয়ে মালয়েশিয়ার হিন্দুরা শতগুণ বেশি অধিকার ভোগ করেন। এছাড়া মালয়েশিয়ার চাইনিজরা দেশটির অতিথি হিসেবে ছিল।' তার এই মন্তব্যের জেরে বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে মালয়েশিয়ার সাতটি রাজ্যে তাকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সোমবার এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের একদিন পর জাকির নায়েক ক্ষমা চাইলেও বলেন, তিনি নিজে সঠিক কথাই বলেছেন। তবে তার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। তার ওই বক্তব্যের পুরোটা শোনার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজেকে শান্তিকামী মানুষ হিসেবেও দাবি করেন জাকির নায়েক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা