kalerkantho

ক্যালগেরিতে বিএসএ'র আয়োজনে 'থ্রি মিনিট থিসিস'

মুহম্মদ খান, কানাডা থেকে   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ১৪:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্যালগেরিতে বিএসএ'র আয়োজনে 'থ্রি মিনিট থিসিস'

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কথা সবাইকে জানাতে কানাডার ক্যালগেরিতে অনুষ্ঠিত হলো নলেজ মোবিলাইজেশন সম্মেলন। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরিতে পড়াশোনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশি স্কলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএ) প্রথমবারের মতো এমন আয়োজন করেছে। 

ক্যালগেরির সময় ১৭ আগস্ট বিকাল ৫টায় ক্যালগেরির বাংলাদেশ সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ এবং ভূ-তাত্ত্বিকদের নিয়ে গঠিত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরি, মাউন্ট রয়েল ইউনিভার্সিটি এবং শহরের আরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে আসা দেশি-বিদেশি কমিউনিটি মেম্বার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবর্গ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের কাজ সম্পর্কে জানেন। 

শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান চলে দুই ঘণ্টারও বেশি। বিশ্বে জনপ্রিয় 'থ্রি মিনিট থিসিস' ধারণায় এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তিন মিনিটে নিজেদের গবেষণা সবার সামনে তুলে ধরেন। এতে ইঞ্জিনিয়ারিং, বেসিক সায়েন্স, বিজনেস, হেলথ সায়েন্সসহ বিভিন্ন বিভাগের ১৭ জন শিক্ষার্থী গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। 

এদেরই একজন ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতোকাত্তোর শিক্ষার্থী সৌভিক সাদমান কালের কণ্ঠকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে করা কঠিন গবেষণাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে উপস্থাপন করার জন্য এটি একটি চমৎকার পন্থা। এধরনের আয়োজনে স্কুলপড়ুয়া শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধদের সামনে গবেষণাকর্মের সুফল সরলভাবে উপস্থাপন করা যায়। এই দিক থেকে বলা যায়, বিএসএর আয়োজনটি শতভাগ সফল হয়েছে।

গবেষণা উপস্থাপনের পর্বটি পরিচালনা করেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরির ফ্যামিলি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তুরিন তানভীর চৌধুরী। আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএসএ এর বর্তমান এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরিতে পিএইচডি গবেষক সাইফ উদ্দিন সিকদার।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে বিএসএ এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও কিনিসিওলজি বিভাগের পিএইচডি গবেষক নবাংশু শেখর দাস সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসএ সার্টিফিকেট দেবে। কালের কণ্ঠকে তিনি জানান, গবেষণা উপস্থাপনকারী এবং দর্শকরা অনুষ্ঠানটি কতটা উপভোগ করেছে তা জানতে অনুষ্ঠানের পর আমরা একটি সার্ভে করি। এতে আমরা খুবই ইতিবাচক ফল পেয়েছি। এধরনের অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজনের জন্য অনুরোধ করেছেন অধিকাংশ অংশগ্রহণকারীই। 

ক্যালগেরির মতো কানাডার অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি কমিউনিটি এধরনের আয়োজনে এগিয়ে আসলে তা গবেষক ও কানাডায় বসবাসরত অভিবাসী বাংলাদেশিরা উপকৃত হবে বলে মনে করেন তিনি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা