kalerkantho

সব যখন মায়ের কব্জায়, তখন ঘরের স্মার্ট ফ্রিজের মাধ্যমে টুইট করলো মেয়েটি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ আগস্ট, ২০১৯ ১৩:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সব যখন মায়ের কব্জায়, তখন ঘরের স্মার্ট ফ্রিজের মাধ্যমে টুইট করলো মেয়েটি!

স্মার্টফোনে বড় বেশিই ব্যস্ত থাকতো মেয়েটি। টিনএজরা তো এমনই হয়। বিরক্ত হয়েই মা কেড়ে নিলেন তার মেয়ের স্মার্টফোন। কিন্তু এই টিনএজার আরো বেশি স্মার্ট। ঘরে থাকা অন্য স্মার্টযন্ত্রের মাধ্যমে ঠিকই টুইটারে পোস্ট দিয়েছে মেয়েটি। আর তার এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গেছে। 

ডরোথির বয়স মাত্রা ১৫। নামের বাকি অংশ প্রকাশ করা হয়নি। গত সপ্তাহে টুইটারে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি বার্তা দেয় তার ফলোয়ারদের। তাদের জানায়, স্মার্টফোনটি মা কেড়ে নেয়ার পর বাড়ির বেশ কয়েকটি স্মার্টযন্ত্রের মাধ্যমে টুইট করে যাচ্ছে সে। 

গার্ডিয়ানকে সে জানায়, দুই সপ্তাহ আগে রান্না করতে গিয়ে বেখেয়াল হয়ে পড়ে সে। এতে দুর্ঘটনাক্রমে আগুন লেগে যায়, ছোটখাটো আগুন যা ক্ষতিকর হয়ে ওঠেনি। আর এতেই শাস্তি মেলে তার। ডরোথি বলে, মা আমার সব ধরনের প্রযুক্তি যন্ত্র নিয়ে নেন। মা আমাকে বলেছেন, স্মার্টফোন ছাড়াও অন্য দিকে বেশি নজর দিতে। এ ঘটনার পর আমার খুব মন-মেজাজ খারাপ হয়। গোটা গ্রীষ্মে আমার খুব বাজে সময় গেছে। তখন একমাত্র টুইটারেই ভালো সময় কেটেছে। কিন্তু এখন আমি কিভাবে সময় কাটাবো!

ডরোথির প্রযুক্তিবিহীন জীবন শুরু হয়। এটা আসলে কিছু সময়ের জন্যে মায়ের শাস্তি। কিন্তু চিন্তিত হয়ে পড়ে মেয়েটি। এখন তার টুইটারের কি হবে! ফলোয়ার তো সব চলে যাবে! তাই সে বাড়িতে থাকা অন্যান্য যন্ত্রের সহায়তার কাজটি করতে থাকলো। যেমন- নিন্টেন্ডো ডিএস থেকে টুইট করে সে। কিন্তু এটাও ধরে ফেলেন মা। উল্টো মা সেখানে পোস্ট করে জানান যে তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হবে। 

কিন্তু থেমে থাকেনি ডরোথি। সে নিন্টেন্ডো ডাব্লিউআইআই ইউ নামের এক ভিডিও গেম কনসোল থেকে টুইট করে সে। এটা অনেক আগেই ব্যবহার বন্ধ করেছে সে। অবশেষে তার মা নিজের কাজে কয়েকদিনের জন্যে বাইরে গেলে সে তার আকাঙ্ক্ষিত স্মার্টফোনটি হাতে পায়। সেখান থেকে আবারো টুইট করে সে। কিন্তু মা-ও নাছোড়বান্দা। তিনি ধীরে ধীরে ডরোথির সব কারসাজিই বন্ধ করে দিলেন। এ ধরনের সব যন্ত্র তার নাগালের বাইরে চলে গেলো। 

এখন কি করা যায়? ডরোথি আবিষ্কার করলো, সে তাদের বাড়ির স্মার্ট ফ্রিজটাকে টুইট করার কাজে ব্যবহার করতে পারে। স্মার্ট ফ্রিজের সাথে কথা বলে সে ঠিকই একটা টুইট করে ফেললো, যেভাবে স্মার্টফোনের ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্টের সাথে কথা বলা যায়। 

ডরোথির এই টুইট ভাইরাল হয়ে গেছে। ৭৩ হাজারের বেশি লাইক পড়েছে। শুধু তাই না, ডরোথির এই প্রযুক্তিবিহীন বন্দি জীবন থেকে মুক্তির জন্যে ফলোয়াররা খুলেছেন #FreeDorothy 

ফলোয়ারদের এই সমর্থনে ধন্যবাদ জানিয়েছে মেয়েটি। এখনো সে তার যন্ত্রগুলো ফেরত পায়নি। তবে আশা করছে দ্রুত হারানো যন্ত্র ফিরে পাবে সে। তখন আরো ভালো করে ফলোয়ারদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাবে। 

সূত্র: পিপল 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা