kalerkantho

মঙ্গলবার। ২০ আগস্ট ২০১৯। ৫ ভাদ্র ১৪২৬। ১৮ জিলহজ ১৪৪০

কানাডা মাতালো ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’

মুহম্মদ খান, কানাডা প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০১৯ ২২:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কানাডা মাতালো ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’

সোমবার এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল কানাডার বৃহত্তম শহর টরন্টোয়। প্রথমবারের মতো শহরের অন্যতম প্রধান সড়কের ভিক্টােরিয়া পার্ক থেকে শিবলী এভিনিউ পর্যন্ত বন্ধ করে হলাে বাংলাদেশি কোনো আয়োজন। ‘দ্য টেস্ট অব বাংলাদেশ’ নামের ওই অয়োজনে অংশ নিতে শত শত কালােমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ছুটে এসেছিলেন আপামর বাংলাদেশিরা।

একুশের বইমেলায় শাহবাগ থেকে টিএসসি হয়ে যেমন মানুষের ঢল নামে, পহেলা বৈশাখে যেমন রমনায় মানুষের স্রোত বইতে থাকে; তেমনি কানাডার ইতিহাসে বৃহত্তম এই বাংলাদেশি আয়োজনের সাক্ষী হতে অংশ নিয়েছিলেন প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি, শহরের মানুষগুলো তো এসেছেই, দূরের শহর থেকে বাংলাদেশিরা ছুটে এসেছেন এই অনুষ্ঠানে। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা, যারা বাংলাদেশিদের কোনো অনুষ্ঠানে আসতে চায় না বলে আমরা অনুযোগ করি, তারা এসেছে দল বেঁধে।

এমনটাই জানিয়েছেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ফরিদা হক। কালের কণ্ঠকে তিনি জানান, ৫ আগস্ট সকাল ১১ টা থেকে শুরু হয়ে আয়োজন চলে রাত ১১ টা পর্যন্ত। সড়কের প্রায় ২ কিলােমিটার দৈর্ঘ্যজুড়ে ছিলা প্রায় ৪০ টি স্টল, বাংলা সংস্কৃতির বিভিন্ন সাস্কৃতি-কৃষ্টি প্রদর্শন, শিশুদের জন্য দেশিয় খেলাধুলাসহ দিনব্যাপী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।  

আয়োজনে গান করেন জেমস, তপন চৌধুরী, রিজিয়া পারভীনসহ কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিল্পীরা। নাচ পরিবেশন করেন, আরসিনা প্রিয়া, ঘুঙ্গুর, বিপ্লব কর ও তার দল, সাদিয়া ও তার দল।
  
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিচেস-ইস্ট ইয়র্কের এমপি ন্যাথানিয়েল এরিস্কিন-স্মিথ, ফেডারেল মন্ত্রী বিল ব্লেয়ারের প্রতিনিধি ডানকান টলি, স্কারবরো সাউথ ওয়েস্ট তথা কানাডার প্রথম বাংলাদেশি প্রাদেশিক এমপি ডলি বেগম, সিটি কাউন্সিলর, ব্রাড ব্রাডফাের্ট ও গ্যারি ক্রােফাের্ট।

আয়োজনের অন্যতম উদ্যােক্তা রাসেল রহমান জানান, গ্রিস, ক্যারাবিয়ান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের বড় আয়োজন হলেও টরন্টােতে সড়কজুড়ে বাংলাদেশি আয়োজন এটাই প্রথম। 

তবে এই অয়োজনের জন্য ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর তিনি চেষ্টা করলেও নগর কর্তৃপক্ষের অনুমতি মিলছিল না। এবার শেষ মুহুর্তে অনুমতি পাওয়ার পর অল্প সময়ে আয়োজনটি করা হয়। কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটিভিত্তিক সবগুলাে সংগঠন সহযােগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় আয়ােজনটি করা সম্ভব হয়েছে। এখন থেকে প্রতিবছর এ আয়োজন করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা