kalerkantho

সোমবার। ১৯ আগস্ট ২০১৯। ৪ ভাদ্র ১৪২৬। ১৭ জিলহজ ১৪৪০

সমুদ্রের তলদেশেই কি রয়েছে সোনার শহর আটলান্টিস?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুলাই, ২০১৯ ১৯:২২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সমুদ্রের তলদেশেই কি রয়েছে সোনার শহর আটলান্টিস?

অনেক সিনেমায় দেখা যায়, কোনো শহর পানির তলা থেকে উঠে এসে নির্দিষ্ট সময় পর সেটি আবার আগের অবস্থানে চলে যায়। এ ধরনের ঘটনা যে শুধু সিনেমায় ঘটে তা নয়। বাস্তবেও এরকম বহু শহর পানির তলায় তলিয়ে যায়। সে রকমই একটি শহর হলো আটলান্টিস, যার ব্যাপারে আমরা গল্পে পড়েছি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে বেশ কিছু শহর, সভ্যতা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সে রকমই একটি শহর আটলান্টিস। হারিয়ে যাওয়া ওই শহর, যার ব্যাপারে শুধু আমরা শুনে এসেছি। কিন্তু কোথায় ছিল, কী রকম ছিল, তার কোনো প্রমাণ নেই। অজানা সেই শহরের বিষয়ে কিছু তথ্য দেখে নেওয়া যাক।

আটলান্টিসের হারিয়ে যাওয়া শহর পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো এবং রহস্যজনক শহরগুলোর অন্যতম। প্রাচীনকাল থেকেই গবেষকরা শহরটি অবস্থান এবং কীভাবে তা ধ্বংসের পথে চলে যায়, সেটা জানার চেষ্টা করে আসচেন। অনেকের মতেই বড় কোনো ভূমিকম্পে শহরটি ধ্বংসের পথে চলে যায়।

বিভিন্ন বই এবং কিছু টেলিভিশন শোতে এই হারিয়ে যাওয়া শহরের অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। কয়েকজনের মতে গুগলে সার্চ করলে গ্রিসের সান্তোরিনি শহরকে আটলান্টিস বলা হয়ে থাকে। আবার অনেকের মতে বিমিনির পানির নিচেই এই হারিয়ে যাওয়া শহরের রাস্তা লুকিয়ে আছে। গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর লেখায় ওই শহরের ব্যাপারে বেশ কিছু অজানা তথ্য উঠে এসেছে।

গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর লেখনী অনুযায়ী, আটলান্টিস শহরটি জিব্রাল্টারের বড় পাথরের কাছাকাছি অবস্থিত একটি দ্বীপ ছিল, যাকে হারকিউলিসের স্তম্ভ বলা হত।

বহু মানুষের মতে অ্যাটলান্টিস নামটি আটলান্টিক মহাসাগরের নাম থেকে এসেছে। কিন্তু প্লেটোর মতে, গ্রিসের সমুদ্রের ভগবান পোসাইডনের প্রথম সন্তান অ্যাটলাসের নাম থেকে এই শহরের নামকরণ করা হয়।

প্লেটো আটলান্টিসের ওপর দুটি বই লিখেছিলেন। যার মধ্যে টিমেয়াসের পুরো বইটি থাকলেও, ক্রিটিয়াসের পুরো কপি পাওয়া যায়নি। ফলে এই শহরের বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য অজানা রয়ে গেছে। যদিও বলা হয়ে থাকে প্লেটো আটলান্টিসের ওপর আরেকটি বই লিখেছিলেন যার নাম হের্মোক্রেতস।

বেশ কিছু নথিপত্র থেকে ধরা হয় যে আটলান্টিস শহরটি ১১ হাজার পাঁচশ বছর পুরনো। আটলান্টিস শহরটি একটি দ্বীপ থেকে শাসিত সাম্রাজ্য ছিল, যা বর্তমান যুগে ইউরোপের টাস্কানি শহর থেকে মিসর পর্যন্ত তাদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারিত করেছিল।

বলা হয়ে থাকে এই শহরে সুন্দর নাগরিকের পাশাপাশি, একটি পোসেইডনের মন্দির এবং কংক্রিটের প্রাচীরের পাশাপাশি পানি যাতায়াতের জন্য খালের সুব্যাবস্থা ছিল

যদিও এই শহরটি আসলেই কেমন ছিল এবং কীভাবে তা ধ্বংসের পথে এগিয়ে গেল, তা নিয়ে বরাবর আমাদের মনে বিস্ময় থেকেই যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা