kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

সোয়া লাখ বছর আগের দুই বিস্ময়- উড়ন্ত ডাইনোসর আর বিরল টিকটিকি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জুলাই, ২০১৯ ১৫:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সোয়া লাখ বছর আগের দুই বিস্ময়- উড়ন্ত ডাইনোসর আর বিরল টিকটিকি

জীবাশ্ম দুটির বয়স এক লাখ ২৫ হাজার থেকে এক লাখ ২২ হাজার বছর। একটি উড়ন্ত ডাইনোসর, অন্যটি বিরল প্রজাতির টিকটিকি। তখন তারা পৃথিবীর বাসিন্দা ছিল। সোয়া লাখ বছর পর তাদেরকে পাওয়া গেছে একটির পেটে আরেকটি। ডাইনোসরের পেটে টিকটিকি।

উড়ন্ত ডাইনোসরের জীবাশ্ম আগেও পাওয়া গেছে। কিন্তু টিকটিকিটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির। সম্প্রতি কারেন্ট বায়োলজিতে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষকরা মাইক্রোর‌্যাপটর নামের উড়ন্ত ডাইনোসরের পেটে খুঁজে পেয়েছে নতুন প্রজাতির টিকটিকি। এই মাইক্রোর‌্যাপটরের শরীর ও ডানায় ছিল বিশাল আকারের পালক।

সাউথ ওয়েস্ট নিউজ সার্ভিসের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে,  ডাইনোসরের পেটে সম্পূর্ণ অবস্থায় পাওয়া গেছে টিকটিকিটি। টিকটিকিটির নামকরণ করা হয়েছে ইন্দ্রাসোরাস ওয়াঙ্গি। মাইক্রোর‌্যাপটর ডাইনোসর টিকটিকিটিকে আস্ত অবস্থায়ই  গিলে ফেলেছিল। পেটের ভেতর টিকটিকিটির অবস্থান থেকে জানা গেছে, মাথার দিকটি দিয়ে খাওয়া শুরু করেছিল ডাইনোসরটি। এটি থেকে সেই সময়ের উড়ন্ত ডাইনোসরের খাওয়ার ধরন সম্পর্কেও অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই নতুন গবেষণা সম্পর্কে নিউ ইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন প্রজাতির এই টিকটিকির মুখে দাঁত খুঁজে পাওয়া গেছে। এটি থেকে বোঝা যায়, এদের খাবার গ্রহণের ধরন অন্য টিকটিকি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল।' 

নিউ ইয়র্ক পোস্ট আরো জানিয়েছে, যেহেতু এই ডাইনোসরের পেট থেকে টিকটিকিটিটি আস্ত পাওয়া গেছে, এ কারণে মনে করা হচ্ছে এরা ছিল অনেক বেশি সুযোগসন্ধানী প্রাণী। এরা তাদের শিকারকে গিলে ফেলত এবং অবশ্যই গ্রহণ করত মাথার দিক দিয়ে।

চীনা অ্যাকাডেমি অব সাইন্সের ইনস্টিটিউট অব ভেরেব্রাইট প্যালিওন্টোলজি ইনস্টিটিউট এবং প্যালিওথ্র্রোপোলজি-এর অধ্যাপক জিংমাই ও' কন্নারের অধীনে গবেষকরা এই নিয়ে চতুর্থবার মাইক্রোর‌্যাপটরের পেটে আস্ত অবস্থায় প্রাণী খুঁজে পেলেন। 

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা