kalerkantho

বুধবার । ২১ আগস্ট ২০১৯। ৬ ভাদ্র ১৪২৬। ১৯ জিলহজ ১৪৪০

গাভাস্কারের জন্মদিনে শ্যাম্পেইনের বোতল উপহার দিলেন শচীন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৭:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাভাস্কারের জন্মদিনে শ্যাম্পেইনের বোতল উপহার দিলেন শচীন

নিজের ৭০তম জন্মদিনে কোনো রকম বাড়াবাড়ি করতে চাননি মার্সেনিল গাভাস্কার। তবে তার ঘনিষ্ঠজনরা চেষ্টা করে গেছেন গাভাস্কারের স্ত্রীকে রাজি করানোর জন্য।

কেনিয়ার ধনকুবের কিষাণ গেহলট অবশেষে রাজি করিয়ে গত মঙ্গলবার মধ্য লন্ডনে এক গ্রিক রেস্তোরাঁয় আড়ম্বরপূর্ণভাবে না হলেও, পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে গাভাস্কারের ৭০তম জন্মদিনের পার্টি দেন। 

জানা গেছে, ওই রেস্তোরাঁর নাম মেরাকি। অক্সফোর্ড রোড স্টেশন থেকে কাছেই। সেখানে মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে অতিথিদের স্বাগত জানানোর জন্য উপস্থিত হন গাভাস্কার পরিবার।

কপিলদেবের ইচ্ছা থাকলেও যেতে পারেননি। তবে উপহার পাঠিয়ে দিয়েছেন। রাত পৌনে ৯টা নাগাদ শচীন-অঞ্জলি টেন্ডুলকার প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই চমকে যান সবাই। বিলেতের সবচেয়ে দামি শ্যাম্পেইনের বোতল গাভাস্কারের হাতে দিয়ে শচীন বলেন, হ্যাপি বার্থ ডে তো বটেই, গুরু পূর্ণিমার দিনে প্রণামও রইল।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুরলি কার্তিক, যতীন পরাঞ্জপে, আশিস নেহরা, অভিষেক ঝুনঝুনওয়ালা, সাবা করিম, রাহুল জহুরি, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ। ‌পার্টি চলেছে ভোর ৪টা পর্যন্ত। তারপরও জমিয়ে রেখেছিলেন তার বন্ধু, আত্মীয়রা।

বিশাল ওই রেস্তোরাঁয় গত মঙ্গলবার অন্য কোনো খদ্দেরের প্রবেশাধিকার ছিল না। পুরোটাই দখল করে নিয়েছিলেন এই ডিনারের অন্যতম উদ্যোক্তা রোহন গাভাস্কার ও তার স্ত্রী স্বাতী। বার্থ ডে বয়ের গায়ে ছিল সবুজ রংয়ের জামা, জলপাই রংয়ের জহরকোট (‌নাকি মোদি জ্যাকেট!‌)‌। 
 
জন্মদিনের কেকের প্ল্যাটফর্মে লেখা ছিল, সানি ডে’‌জ ফর এভার। যে সব দেশের বিরুদ্ধে গাভাস্কার খেলেছেন, সেই সব দেশের পতাকা লাগানো ছিল চওড়া প্লেটের চারিদিকে। ডায়াবেটিসের রোগী কেক কাটার পর অল্প একটু খেয়েছেন। বাকি কেক ছিল সবার জন্য। খাওয়ার তালিকায় ছিল গ্রিক মেনু। তবে পানীয়ের শেষ ছিল না। যার যা খুশি। সস্ত্রীক গাভাসকারের হাতে ছিল রেড ওয়াইনের গ্লাস। বাকিরা যে যার মতো। টেবিলে টেবিলে চলছিল গান। আর মাঝেমধ্যেই ‘‌হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ সানি’‌ বলে কোরাসে চিৎকার চলছিল মেরাকির একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে।‌

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা