kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

রান্নাঘরের দেয়ালে টাঙানো ছিল, জানা গেল প্লেটটি মহা মূল্যবান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ জুলাই, ২০১৯ ২০:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রান্নাঘরের দেয়ালে টাঙানো ছিল, জানা গেল প্লেটটি মহা মূল্যবান

সাধারণ জিনিস হিসেবে সেই জিনিস পড়ে ছিল দীর্ঘ সময় ধরে। আর সেটাই অসাধারণ হয়ে উঠলো। দেখতে ডিম্বাকৃতির কালো রঙের একটি প্লেট, মাঝে হাস্যময়ী একটি মুখ। তারই দাম ১০ হাজার ডলার, বা প্রায় সাত লাখ টাকা।

পাবলো পিকাসোর কাজের সঙ্গে টুকটাক আমরা সবাই পরিচিত। কাজের সঙ্গে না হলেও নামের সঙ্গে পরিচয় বেশিরভাগ মানুষেরই আছে। সারা জীবনে পিকাসো ৬৩৩টি স্পেশাল এডিশন তৈরি করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেলিভিশন শো, নাম 'অ্যান্টিক রোডশো' খুবই জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসেন তাদের অ্যান্টিক নমুনা নিয়ে আলোচনা করার জন্য। বর্তমান সময়ে নমুনাগুলোর দাম কী হতে পারে সে বিষয়ে এখানে আলোচনা করা হয়।

এমনই এক পর্বে গিয়ে এক নারী একটি প্লেট দেখান। তিনি জানান, ১৯৭০ সালে ওই প্লেটটি তাদের রোড আইল্যান্ডের বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। তার প্লেট সংগ্রহের শখ রয়েছে।

কিন্তু মজার বিষয় হলো, প্লেটটি বেশ কয়েক বছর তার রান্নাঘরে স্টোভের উপরে ঝুলছিল। বাড়ির শোভা বাড়িয়ে তোলার জন্য তিনি প্লেটটি রান্নাঘরে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। বাচ্চারাও নাকি খুব পছন্দ করত ওই প্লেটটির হাস্যকর মুখ।

ওই নারীর মতে, তিনি কখনো এর মূল্যের কথা জানতেই পারতেন না, যদি না তিনি একটি আর্ট গ্যালারিতে যেতেন। ২০০৯ সাল নাগাদ একটি গ্যালারিতে গিয়ে তিনি প্রায় একই রকমের একটি প্লেট দেখেন।

গোলাকৃতির একটি প্লেট। ফেশিয়াল ফিচারের সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে তার রান্নাঘরে রাখা প্লেটটির। তার কাছেও এমন প্লেট রয়েছে দাবি করায় পাশ থেকে এক জন বলেন, আপনি জানেন ওটা কী?

লোকটি একটি বই খুলে একটি ছবি দেখিয়ে জানতে চান, তার প্লেটটি এই রকম দেখতে কিনা। ওই নারী প্লেটটির দাম জানতে চান। জানতে পারেন, এর দাম আকাশছোঁয়া।

অনুষ্ঠানটির অ্যাঙ্কর জানান, এই প্লেটটির আসল নাম হলো 'ফেস ইন অ্যান ওভাল'। পিকাসোর প্রতিটি কাজের একটি নাম আছে।

পিকাসো অনেক ধরনের স্পেশাল অবজেক্ট তৈরি করেছিলেন। তার মধ্যে রয়েছে জাগ, ফিগারস, বিভিন্ন আকারের প্লেট ইত্যাদি। যেগুলোর মূল্য বর্তমানে লাখ লাখ টাকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা