kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ জুলাই ২০১৯। ৪ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৫ জিলকদ ১৪৪০

ফাটল দেখে পর্যটকদের সরিয়ে নিতেই ধসে পড়ল কাচের ডেক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুন, ২০১৯ ১৬:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফাটল দেখে পর্যটকদের সরিয়ে নিতেই ধসে পড়ল কাচের ডেক

অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন শিকাগোর উইলস টাওয়ারের কাচের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা পর্যটকরা। জানা গেছে, লুক থ্রু কাচ দিয়ে তৈরি এই মেঝেয় পা রাখতেই আচমকা ফাটল ধরে যায়। সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু ভয়ে শিউরে ওঠেন পর্যটকরা। 

প্রসঙ্গত, টাওয়ারের ১০৩ তলায় অবস্থিত মাটি থেকে এক হাজার তিনশ ৫৩ ফুট উঁচু এই ডেক ই মূলত পর্যটকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ। আর এত উপর থেকে পড়লে যে প্রাণ হাতে নিয়ে আর ফেরা সম্ভব হবে না, সেটা বুঝেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা। তাদের সরিয়ে নিয়ে আসার পরই টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে পড়ে ডেকটি।

উইলস টাওয়ারের পক্ষ থেকে টেরি কর্নেলিয়াস জানিয়েছেন, প্রোটেকটিভ কাচ দিয়ে তৈরি এই মেঝেতে একেবারে উপরের স্তরে সূক্ষ্ম চিড় ধরেছিল। এতে পর্যটকদের প্রাণহানির কোনো সম্ভাবনাই ছিল না।

তার আরো দাবি, যেহেতু এখানে প্রতিদিনই পর্যটকদের ভিড় হয়, সে কারণে আমরা এতটাই পোক্ত কাচ দিয়ে ডেকটি বানিয়েছি যে সহজে এটা ভাঙার নয়। তবুও সাবধানতার জন্য চিড় ধরার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা পর্যটকদের সরিয়ে নিয়ে যাই।

সে সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জিসাস পিন্টাডো। প্রত্যক্ষদর্শী জিসাস জানান, আচমকা তিনি বিকট শব্দে কিছু ভেঙে পড়ার আওয়াজ পান। তিনিও তখন ডেকে উঠবেন বলে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। চিড় ধরার সঙ্গে সঙ্গে ডেকে দাঁড়িয়ে থাকা সমস্ত পর্যটকদের মুখ নিমেষে মৃত্যু ভয়ে নীল হয়ে যায়। 

ডেক ভেঙে পড়ার সেই মুহূর্তের ভিডিও পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেন পিন্টাডো। এখন পর্যন্ত সেই ভিডিও দেখেছে ৭ লাখের বেশি মানুষ। 

অঘটনের দিনই রাতারাতি বদলে ফেলা হয় ডেকের কাচ। পরের দিন থেকেই আবারো স্বমহিমায় পর্যটকদের কাছে ফিরে আসে উইলস টাওয়ারের আকর্ষণ।

প্রসঙ্গত, স্কাইডেস্ক প্রথম খোলা হয় ১৯৭৪ সালে। তখন থেকেই লাগানো এই প্রোটেকটিভ কাচ। যার ওজন প্রায় পাঁচ টন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা