kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

বৃহস্পতির চাঁদে খাবার লবণের সন্ধান!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুন, ২০১৯ ১১:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃহস্পতির চাঁদে খাবার লবণের সন্ধান!

এবার খাবার লবণের সন্ধান মিলল সৌরমণ্ডলের অন্য কোনো গ্রহে। তা মিলেছে সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির অনেক চাঁদের একটি ‘ইউরোপা’য়। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, ওই চাঁদে পৃথিবীর মতোই লবণাক্ত পানির বিশাল বিশাল সাগর, মহাসাগর আছে। গত বুধবার এসংক্রান্ত গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’-এ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন, ইউরোপা অনেকটা তালশাঁসের মতো। তার ভেতরে আছে বিশাল বিশাল সাগর, মহাসাগর। কিন্তু সেগুলো কিসে ভরা, তা নিয়ে সংশয় ছিল বিজ্ঞানীদের। কারো ধারণা, সেই সাগর, মহাসাগরগুলো তরল পানিতে ভরা। কারো বা ধারণা, সেগুলো ভরা মিথেন বা ইথেনের মতো তরল হাইড্রোকার্বনে। কিন্তু খাবার লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের হদিস মেলায় এবার অনেক বেশি নিশ্চিত হওয়া গেল যে ইউরোপার সাগর ও মহাসাগরগুলো পৃথিবীর মতোই পানিতে ভরা। কারণ আমাদের সামুদ্রিক লবণেও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড।

দৃশ্যমান আলোর বর্ণালি বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পেয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (ক্যালটেক) ও পাসাডেনায় নাসার জেট প্রপালসান ল্যাবরেটরির (জেপিএল) বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার পিঠের যে জায়গায় ওই হলুদ ছোপ দেখা যায়, সেগুলো আসলে বৃহস্পতির ওই চাঁদে খাবার লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইডের অস্তিত্বেরই সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ইউরোপার ওই জায়গাটির নাম ‘তারা রেজিও’।

নাসার জেট প্রপালসান ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘ইউরোপার সাগর ও মহাসাগরগুলোতে পুরু বরফের ধারকে যে পানি আছে, তার বয়স কিন্তু খুব বেশি নয়। এমন নয় তা কয়েক শ কোটি বছরের পুরনো। আর সেই বরফের স্তর সময়ে সময়ে যে বদলে যাচ্ছে, এরও প্রমাণ মিলেছে। যার মানে, এখনো সেখানকার প্রাকৃতিক গঠন বদলাচ্ছে। যা ইউরোপার সজীবতারই লক্ষণ।’ সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা