kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৭ জুন ২০১৯। ১৩ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

মারা যাওয়ার আগে পরিবারকে স্বামী-স্ত্রীর হৃদয় বিদারক বার্তা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ জুন, ২০১৯ ১৮:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মারা যাওয়ার আগে পরিবারকে স্বামী-স্ত্রীর হৃদয় বিদারক বার্তা

ছুটি কাটানোর জন্য ম্যালানেশিয়ার ফিজি উপদ্বীপে গিয়েছিলেন মার্কিন এক দম্পতি। চলতি বছরের ২২ মে সেখানে যাওয়ার পরপরই অসুস্থ হয়ে যান তারা। জানা গেছে মাইকেল্লে ও ডেভিড পল দু'দিন বাদেই মারা গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নাভান্দা এলাকায় বসবাস করা বাবা-মার কাছে মারা যাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি বার্তা পাঠিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী মাইকেল্লে। তাতে নিজেদের বিপর্যস্ত অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।

মাইকেল্লে জানিয়েছেন, তিনি ও তার স্বামী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার সময়ও বার্তা পাঠিয়েছেন।

মাইকেল্লে লিখেছেন, আট ঘণ্টা ধরে আমরা বিছানায় পড়ে আছি। ডেভিডের ডায়রিয়া হয়েছে, বমিও করছে। আর আমার হাত অকেজো হয়ে গেছে।

পরদিনও নিজেদের অবস্থার ব্যাপারে মাকে বার্তা পাঠিয়েছেন মাইকেল্লে। তিনি লিখেছেন, আমরা হাসপাতাল থেকে ফিরে যাচ্ছি। এখানে আমাদের তরল খাবার দেওয়া হয়েছে। আর ডেভিডের বমি বন্ধের ওষুধ দিয়েছে। সঙ্গে আরো কিছু ওষুধ দিয়েছে, যেগুলো খেলে বমি আর পাতলা পায়খানা সারবে। আমরা শতভাগ সুস্থ নই। বিশ্রামের জন্য ঘরে ফিরছি।

মাইকেল্লের মা জুলিয়েট ক্যালানং তখন লিখেছেন, নিজেদের খেয়াল রাখো। বেশি পরিমাণে তরল খাবার খাও। পানি পান করো বেশি পরিমাণে। তোমাদের বিশ্রাম দরকার।

অ্যাথলেট মাইকেল্লের সুঠাম দেহ। তারপরেও তার হালকা অুসস্থতা কাল হয়ে দাঁড়াল। প্রথমে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। আর তার স্বামী বিমান বাহিনীতে চাকরি করেন। তার স্বাস্থ্যও যথেষ্ট ভালো।

জানা গেছে, এই দম্পতির আইদিন নামে দুই বছরের এক ছেলে রয়েছে। তবে ডেভিডের আগের স্ত্রীর গর্বের আরেক সন্তান রয়েছে। তবে তার নাম জানা যায়নি।

মাইকেল্লের বাবা মার্ক ক্যালানং বলেন, তাদের মারা যাওয়ার খবরটা শোনা আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টের। সন্তানের লাশ দেখার চেয়ে বাবার কাছে কঠিন দৃশ্য আর হতে পারে না। সেটা আমার জন্য ছিল কঠিন মুহূর্ত।

মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে না জানা পর্যন্ত তাদের মরদেহ নিয়ে আসা সম্ভব নয়। ফিজির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ওই দম্পতি নিহতের কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে সংক্রমণকেই বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা