kalerkantho

বুধবার । ২৪ জুলাই ২০১৯। ৯ শ্রাবণ ১৪২৬। ২০ জিলকদ ১৪৪০

সবিশেষ

৫৬ টন ওজনের লোহার সেতু রাতারাতি উধাও!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ জুন, ২০১৯ ১৬:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৫৬ টন ওজনের লোহার সেতু রাতারাতি উধাও!

শক্তপোক্ত লোহার সেতু। ওজন প্রায় ৫৬ টন। কিন্তু এ সেতু আচমকা উধাও হয়ে গেছে রাশিয়ার আর্কটিক অঞ্চল থেকে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, নির্ঘাত চোরেরা এ সেতু চুরি করেছে। কিন্তু চোরের দল হঠাৎ লোহার সেতু কেন চুরি করতে যাবে, তাই ভেবেই আপাতত ধন্দে রয়েছে রাশিয়া পুলিশ। হাজার মাথা খুঁড়েও কোনো কিনারা করতে পারেনি তারা।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার মুরমানস্ক এলাকায় উম্বা নদীর ওপর লোহার এ সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল, কিন্তু আচমকাই যে সেতুটি উধাও হয়ে যাবে তা স্বপ্নেও ভাবেনি এলাকাবাসী। রাতারাতি উধাও হয়েছে সেতুর প্রায় ৭৫ ফুট অংশ। গত মে মাসে প্রথম নজরে আসে এ সেতু উধাও হওয়ার ঘটনা। ভিকে নামের রাশিয়ার একটি ওয়েব প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়। মে মাসের ১৬ তারিখ সোশ্যাল মিডিয়ার ওই ছবিতে দেখা যায়, সেতুর একটি বড় অংশ পানির তলায় আছে। এ ঘটনার দিন দশেক পরে ভিকের প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয় আরো কিছু ছবি। নতুন ছবিতে দেখা গেছে, সেতুর মাঝের অংশটির কোনো চিহ্নই নেই। এমনকি পানির নিচে হাজার খুঁজেও সেতুর কোনো ভাঙা টুকরা পাওয়া যায়নি, যেন ম্যাজিক করে হাপিস করে দিয়েছে লোহার সেতুটিকে। তবে প্রাকৃতিক কোনো কারণে যে সেতুটি উধাও হয়নি সে ব্যাপারে নিশ্চিত রাশিয়া পুলিশ। নয়তো সেতুর ভাঙা অংশের সন্ধান পাওয়া যেতই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সম্ভবত লোহা চুরির জন্যই সেতুটি চুরি করেছে চোরেরা। বিষয়টি তারা জানিয়েছে কিরোভস্ক থানায়। কিন্তু কিভাবে বেমালুম সেতুটি চোরেরা লোপাট করে ফেলল, সেটাই বুঝতে পারছে না কেউ। কিরোভস্ক প্রশাসন এরই মধ্যে তদন্তে নেমেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশেরও অনুমান, সম্ভবত সেতুর পুরনো লোহা বিক্রির জন্যই চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে কারা, কিভাবে এত ভারী সেতু চুরি করল, এখনো তা জানা যায়নি। সূত্র : দ্য ওয়াল।

মন্তব্য