kalerkantho

বুধবার। ১৯ জুন ২০১৯। ৫ আষাঢ় ১৪২৬। ১৫ শাওয়াল ১৪৪০

সিঙ্গাপুর অঞ্চলের কিছু ভেষজেই আছে ক্যান্সারের মহৌষধ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ মে, ২০১৯ ১৩:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিঙ্গাপুর অঞ্চলের কিছু ভেষজেই আছে ক্যান্সারের মহৌষধ

বিভিন্ন ভেষজ উদ্ভিদে ক্যান্সার চিকিৎসার উপাদানের উপস্থিতি দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

এসব উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে ব্যান্ডিকুট বেরি, সাউথ আফ্রিকান লিফ এবং সিম্পললিফ চেইস্টট্রি। এ ছাড়া এ তালিকায় রয়েছে আরও তিনটি উদ্ভিদ।

সম্প্রতি এ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করেছে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একটি দল।

এর আগে গবেষণায় দেখা যায়, এসব ভেষজ উদ্ভিদ  অনেক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এগুলোতে যে ক্যান্সার বিরোধী উপাদান রয়েছে তা ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়নি।

বর্তমান গবেষণায় সিঙ্গাপুর ও এর আশপাশে জন্মায় এমন কিছু ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়।

গবেষকরা দেখেছেন, অনেক স্থানীয় মানুষ সাধারণ রোগের চিকিৎসায়, লিভার পরিষ্কার করতে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় এসব উদ্ভিদ ব্যবহার করে। এর মধ্যে ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসায় উল্লেখিত ভেষজ উদ্ভিদগুলো ব্যবহার করে তারা।

গবেষকরা ক্যান্সার চিকিৎসায় সাত প্রজাতির উদ্ভিদকে গুরুত্ব দেন। এগুলো হলো: ব্যান্ডিকুট বেরি, সাবাহ স্নেইক গ্রাস, ফুল'স কারি লিফ, সেভেন স্টার নিডল, ব্লাক ফেইস জেনারেল, সাউথ  আফ্রিকান লিফ এবং সিম্পললিফ চেইস্টট্রি।

তাঁরা সাতটি উদ্ভিদের তাজা, সুস্থ ও পরিপক্ব পাতার নির্যাস পরীক্ষা করেন। এসব পাতার নির্যাস স্তন, সার্ভিকাল, কোলন, লিউকেমিয়া, লিভার, ডিম্বাণু এবং জরায়ু ক্যান্সারসহ সাতটি ভিন্ন ধরণের ক্যান্সার কোষের লক্ষণের সঙ্গে চালানো হয় এই পরীক্ষা। তাঁরা দেখেন, ব্যান্ডিকুট বেরি, সাউথ আফ্রিকান লিফ এবং সিম্পললিফ চেইস্টট্রি পাতার নির্যাস সাত ধরণের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত কার্যকরী।

এ ছাড়া এসব পাতার নির্যাস সারভিক্যাল, কোলন, লিভার, ডিম্বাশয় এবং জরায়ু ক্যান্সার কোষের  বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।

অন্য দুই উদ্ভিদ ফুল'স কারি লিফ এবং ব্লাক ফেস জেনারেল-এর পাতার নির্যাস কয়েকটি ক্যান্সার কোষের লাইনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

গবেষকরা আশা করছেন, তাঁদের গবেষণার ফল ভবিষ্যতে এই ধরনের ক্যান্সারের নতুন চিকিৎসা হিসেবে আবির্ভূত হবে।

তবে তাঁরা সতর্ক করে দেন, সাধারণ মানুষের উচিত হবে না এসব পাতা দিয়ে নিজের মতো করে চিকিৎসাা করা। এ জন্য  যোগ্য চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

গবেষণাটি সম্প্রতি 'জার্নাাল অব ইথনোফার্মাকোলজি'-তে প্রকাশিত হয়েছে। 

সূত্র : নোরিজ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা