kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

শূন্য থেকে হেলিকপ্টার পড়ল হাডসন নদীতে, দেখুন শ্বাসরুদ্ধকর ভিডিও

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মে, ২০১৯ ১৩:১২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শূন্য থেকে হেলিকপ্টার পড়ল হাডসন নদীতে, দেখুন শ্বাসরুদ্ধকর ভিডিও

হালকা নীল শার্ট আর ক্রিম রংয়ের প্যান্ট পরা ব্যক্তিটি চালক মোরালেস, তেমন আঘাত পাননি তিনি

সবার চোখের সামনে হেলিকপ্টারটি একচক্কর ঘুরল এবং সোজা পড়ল পানিতে। সোজা হাডসন নদীতে। মাটি থেকে মাত্র শ খানেক ফুট ওপরে নিয়ন্ত্রণ হারায় ফড়িংটি। তারপর নিজেই শূন্যে ঘোরে, যেন কোনো সিনেমার শুটিং চলছে। ওভাবেই সোজা নেমে আসে পানিতে। এমন ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। 

অবশ্য জরুরি ভিত্তিতে ছুটে আসে উদ্ধারকারী দল। গতকাল বুধবার নিউ ইয়র্কের ঘটনা। পরে অবশ্য পানি থেকে বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় তোলা হয় হেলিকপ্টারটিকে।  

হেলিকপ্টারে কেবল চালক এরিক মোরালেস (৩৫) ছিলেন। হাতে সামান্য আঘাত পেয়েছেন। আর কিছু হয়নি। ওখান থেকে উড়াল দিয়ে কাছেই ওয়েস্ট থার্টিথ স্ট্রিট হেলিপোর্টে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ওড়ার পর পরই সমস্যার শুরু। 

বেল ২০৬ হেলিকপ্টারটিকে বাগে আনতে চেষ্টার ত্রুটি করেননি চালক। শূন্যে ওটাকে ঘুরতে দেখে অনেকেরই হৃদক্রিয়া দ্রুত হবে। কারণ, এটা কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়। পরে তা পানিতে ধপাস করে পড়ে, সেখানে পানি ছলকে উঠতে দেখা যায়। 

ওপরের ছবিতে চালক মোরালেসকে দেখা যাচ্ছে। তিনি হালকা নীল শার্ট আর ক্রিম রংয়ের প্যান্ট পরেছেন। পানি থেকে তুলে আনা হেলিকপ্টারটির নাকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকাশযানটি মোটামুটি ১০০ ফুট ওপরে উঠে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আগ মুহূর্তে থেমে যায়। এরপরই ঘুরতে শুরু করে। দুপুর আড়াইটার দিকের ঘটনা। তারপর ওটা পড়ে যায় পানিতে। 

এক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানায়, প্রচুর বাতাস ছিল। হয়তো বাতাসের কারণেই চালকের সমস্যা হচ্ছিল ওটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। সম্ভবত নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরই তিনি পড়ার জন্যে পানিকেই বেছে নেন। তাছাড়া জন-মানুষের মধ্যেও তো আর হেলিকপ্টার নিয়ে পড়া যায় না। 

এই হেলিকপ্টারটি জিপ এভিয়েশন নামের এক প্রতিষ্ঠানের। ম্যানহাটান থেকে স্থানীয় বিমানবন্দরগুলোতে তারা হেলিকপ্টার সেবা দিয়ে থাকে। এ ঘটনায় অবশ্য জিপ এভিয়েশন কোনো মন্তব্য করেনি। যাত্রী নিতেই যাচ্ছিলেন মোরালেস। ওখানকার হেলিপ্যাড থেকে রওনা দিচ্ছিলেন। পানি থেকে কপ্টারটি ওঠানোর সময় হেলিপ্যাডে কর্মরত আরেক ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন। তবে তিনি এবং চালক কোনো চিকিৎসা নেননি। 

শেষ পর্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন চালক। পানিতে পড়ার কিছু আগেই ইমার্জেন্সি ফ্লোটস চালু করতে পেরেছিলেন তিনি। নইলে ওটা পানিতে ডুবে যেতো। 

তবে জিপ এভিয়েশনের সঙ্গে কাজ করা ব্লেড আরবান এয়ার মোবিলিটি ইনক. জানায়, হেলিকপ্টারে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তাছাড়া চালকও চিকিৎসা নেয়ার মতো আহত হননি। কাজেই ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড এ নিয়ে তদন্ত চালাবে না। 

সূত্র: ডেইলি মেইল  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা