kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

৪০ বাক্সে মিলিয়ন ডলার নিয়ে আত্মগোপনে, পরে ধরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৪০ বাক্সে মিলিয়ন ডলার নিয়ে আত্মগোপনে, পরে ধরা

সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে পার্কিং করা হয় জি৪এস কম্পানির গাড়িটি।

টাকা বহন করার সময় তা পাহারায় গাড়িতে রাখা হয় নিরাপত্তাকর্মী। রক্ষকের ভূমিকা পালন করেন তিনি। কিন্তু সেই রক্ষকই যখন আমানত নিয়ে পালায় তখন কেমন হয়? এমনটিই ঘটেছে সাউথ ওয়েস্ট লন্ডনের ক্লাফাম শহরে।

গত মঙ্গলবার (২৪ এপ্রিল) ব্রিটিশ নিরাপত্তাবিষয়ক কম্পানি জি৪এস-এর একজন নিরাপত্তাকর্মী গাড়ি ফেলে তাতে বহন করা এক মিলিয়ন ডলার নিয়ে পালিয়ে যান। অবশ্য বিশাল অংকের এই অর্থ হজম করতে পারেননি তিনি। ওইদিনই তাকে ধরা পড়তে হয়েছে পুলিশের হাতে।

অভিযুক্ত ওই নিরাপত্তাকর্মীর নাম জোয়েল মার্চ। ২৩ বছর বয়সী ওই কর্মী স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে গাড়িটি ফেলে বিশাল পরিমাণ এই অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সাউথ ওয়েস্ট লন্ডনের ক্লাফাম শহরে জি৪এস কম্পানির গাড়িতে থাকা ৪০টি ডলারের বাক্স নিয়ে উধাও হন এর নিরাপত্তরক্ষী। তবে ওইদিনই গ্রেপ্তার হন তিনি। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

নিরাপত্তা ভ্যানটি এভাবেই পড়ে ছিল আট ঘণ্টা ধরে। এরপর সেখানে পুলিশ আসে। 

খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে ক্লাফাম শহরের একটি নির্জন সড়কে নীল রঙের গাড়িটি পার্ক করেন নিরাপত্তাকর্মী জোয়েল মার্চ। স্থানীয় এক অধিবাসী বলেন, বিষয়টি তার কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। কারণ ওই স্থানের আশপাশে কোনো দোকানপাট নেই। 

ওই বাসিন্দা বলেন, তিনি নিরাপত্তাকর্মীর কাছে 'মাম', 'ড্যাড', এবং ফোন নম্বর লেখা কিছু দাগ দেওয়া কাগজ দেখেন। এর অনেক পর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি বিষয়টি জি৪এস-কে জানান। এ সময় তাদের ভেতর কোনো উদ্বিগ্নতা লক্ষ্য করেননি তিনি। কিন্তু সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি পুলিশের তৎপরতা লক্ষ্য করেন। 

ওই বাসিন্দা বলেন, জোয়েল নামের ওই নিরাপত্তাকর্মী তার প্রতিবেশী। তিনি জোয়েলের পরিবারের সদস্যদের মন খারাপ দেখতে পান। তারা অনেক চাপের মধ্যে ছিলেন বলে জানতে পারেন তিনি।

গ্রেপ্তারের আগে অভিযুক্ত জোয়েল মার্চ'র মা রোয়েনা ওয়াটসন গণমাধ্যমের কাছে বলেছিলেন, মঙ্গলবার কর্মস্থলে যাওয়ার আগে ব্যক্তিগত ফোনটি বাসায় রেখে যান তাঁর ছেলে জোয়েল। তিনি বলেন, 'জোয়েল কিছুটা চাপের মধ্যে  ছিল। কিন্তু কেন সে এমনটি করল তা বুঝতে পারছি না। আমি যতদূর জানি, তার কোনো টাকার  সমস্যা ছিল না।'

মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন দুপুরেই সাউথ লন্ডনের ব্রিসটন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে।

জি৪এস হ্যান্ডলিং, পরিবহন এবং নগদ অর্থ নিরাপদে পৌঁছানোর জন্য যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান। 

সূত্র: দ্য সান 

মন্তব্য