kalerkantho

নতুন ভিডিও-তে ব্যারিস্টার সুমন

'তোমরা কি শেখ হাসিনাকে বিচার দিবা এইটা?' (ভিডিওসহ)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ১৫:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'তোমরা কি শেখ হাসিনাকে বিচার দিবা এইটা?' (ভিডিওসহ)

বরাবরের মতো এবারও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এবার তিনি গাছের নিচে ক্লাস করা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কিছু কথা বললেন। গিয়েছিলেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার ইউনিয়নের চর ডোমসার বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এই ছোট শিক্ষার্থীদের জন্যে অতি দ্রুত মধ্যে স্কুল ভবন নির্মাণ না হলে ঢাকা থেকে এসে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়াবেন বলেও আশ্বাস দিলেন। 

সবার প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিন্দন জানিয়ে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। গাছতলায় স্কুলের বেঞ্চি পেতে ক্লাস করছে ছোটো ছোটো শিক্ষার্থীরা। সেখানে এক ভিডিও ফুটেজে তিনি বলেন, 'এখানে আমি এসেছি ক্লাস করতে'। পরে স্কুলে পরিচয় দেন তিনি। বলেন, এটা একটা সরকারি প্রাইমারি স্কুল। আমি সেই ঢাকা থেকে এখানে চলে আসছি। প্রতিদিন এই বাচ্চারা এখানে ক্লাসের নিচে ক্লাস করতেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা যেখানে চ্যালেঞ্জ করে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে পদ্মাস সেতু বানাচ্ছেন। আর পদ্মা সেতুর পাশে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের গাফিলতির কারণে এই দেড় শ ছাত্র গাছের নিচে ক্লাস করতেছে। এটা যদি জননেত্রী শেখ হাসিনা শোনেন তো অনেক কষ্ট পাবেন। এই জন্যে তো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হওয়ার কথা ছিল না। 

এটা একটা সদর উপজেলা। এই লজ্জা রাখি কোথায়? এই বাচ্চাগুলা পড়াশোনা করতেছে খোলা আকাশের নিচে। এখানে বাথরুম ঠিকই আছে, কোনো স্কুল নাই। তুফানে এখানে ঘরটা উড়ায়ে নিয়ে যায়। আশ্চর্য হয়ে যাই, এতদিন ধরে এরা স্কুল করতেছে। এটা একটা ইমার্জেন্সি ঘটনা। এদের অভিজ্ঞতা কী হবে? আমরা যত উন্নয়নই করি না কেন, এরা যদি শিক্ষিত না হয় সৎ না হয়, এ দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। আমি জানি এখানে কত বড় বড় নেতৃবৃন্দের জায়গা। হয়তো ওনাদের ব্যস্ততার কারণে এটা চোখে পড়ে নাই। 

এরপর তিনি বাচ্চাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, তোমরা কি চাও না যে এখানে একটা বিল্ডিং হোক? তোমরা কি শেখ হাসিনাকে বিচার দিবা এইটা? সব প্রশ্নের উত্তরে বাচ্চারা সমস্বরে 'জ্বি' বলে সম্মতি দেয়। 

একদিনে একজনে দেশটারে উন্নত করতে পারবে না। সবাই মিলে করতে হবে। 

সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। ক্যামেরা তার সঙ্গেও কথা বলেন ব্যারিস্টার সুমন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ওই বিদ্যারয়ের শিক্ষিকারা। চেয়ারম্যান জানান, এই ভবন তোলার জন্যে তারা অনেক কষ্ট করে ৪০ হাজার টাকা তুলেছেন। কিন্তু এই টাকায় কিছুই হবে না জানান ব্যারিস্টার সুমন। 

শেষের দিকে তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে যদি এই স্কুল না হয়, তবে আগামী মাসের পুরো বেতন দিয়ে আমি স্কুল ভবন তৈরি করে দিয়ে যাবো। 

বাকিটুকু দেখুন ভিডিও-তে


সূত্র: ফেসবুক

মন্তব্য