kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

বৈশাখে ম্যানহাটানে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন যেন একটুকরো বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি, নিউ ইয়র্ক   

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ১১:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশাখে ম্যানহাটানে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন যেন একটুকরো বাংলাদেশ

আবহমান বাঙালি উৎসব; বাঙালির প্রাণের উৎসব, বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছিল জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনকে। মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে যোগ দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের স্থায়ী মিশনসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি, কনসাল জেনারেল, সিনিয়র কূটনীতিক, জাতিসংঘের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। প্রায় ৪০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও অন্যান্য কূটনীতিকগণ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা।

প্রবাসে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সাথে নিয়ে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপনের এই ধারা বহির্বিশ্বে আবহমান বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও কৃষ্টির প্রসারে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে বলে মন্তব্য করেন অতিথিরা। আবহমান বাঙালির সংস্কৃতির অসংখ্য উপাদান, ঢাক-ঢোল-একতারা, পালতোলা নৌকা, ডালা-কুলা, তালপাতার পাখা, নকশী কাঁথা, মাটির পুতুল, মাটির থালা-বাসুন, কাচের চুড়ি, মাছ ধরার পলো, পালকি, পাটের সুতার সিকা, আলপনা ও নানা-বর্ণের ব্যানার-ফ্যাস্টুন-বেলুন ও শাড়ি দিয়ে সাজানো হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার ওপর একটি ভিডিওচিত্র দেখানো হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য দেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। বর্ণিল এই অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু হয় বাংলাদেশ মিশনের কূটনীতিকগণের সন্তানদের দলীয় নৃত্যের মাধ্যমে। বাংলা সংস্কৃতির আরো নানান পরিবেশনা ছিল অনুষ্ঠানজুড়ে। চাকমা নাচ মুগ্ধ করে সবাইকে। কোরাস সংগীত রবীঠাকুরের কালজয়ী বৈশাখী গান 'এসো হে বৈশাখ' অতিথিদেরকে পরিচিত করিয়ে দেয় বাংলা সংস্কৃতির চিরায়ত ধারার সাথে। সাংস্কৃতিক পর্বের অন্যতম আকর্ষণ ছিল 'সৃষ্টি ড্যান্স একাডেমি'র পরিবেশনা। 

বৈশাখী সন্ধ্যার আনন্দঘন এই আয়োজন বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত মহানগরী নিউ ইয়র্কের প্রাণকেন্দ্র ম্যানহাটানে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনকে পরিণত করে একটুকরো বাংলাদেশে। 

মন্তব্য