kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

লক্ষ্য থাকলে বিবিএ পড়তে পারেন আইইউবিএটিতে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ১৭:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লক্ষ্য থাকলে বিবিএ পড়তে পারেন আইইউবিএটিতে

বর্তমান যুগ ব্যবসা-বাণিজ্যের যুগ। আর এই যুগে প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে নিজেকে ভালো অবস্থানে রাখার জন্য বিবিএ ডিগ্রির কোনো তুলনা নেই। যারা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন তারাই বিবিএ পড়েন। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়েও অনেকে বিবিএ পড়তে আসেন। বর্তমানে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বিবিএর সম্ভাবনা খুবই বেশি। সৃজনশীলতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যবসা–বাণিজ্যের জগতে নানা পরিবর্তন নিয়ে আসছেন। প্রতিযোগিতার এই যুগে বিবিএ পড়ে শুধু নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই নয়, দেশের অর্থনীতিতে অবদানও রাখছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও আইবিএয়ের সাবেক পরিচালক শিক্ষাবিদ ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান ১৯৯১ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজির (আইইউবিএটি) প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু থেকেই সুনামের সাথে চাকরির বাজারে নিজেদের দক্ষতা ধরে রেখেছে আইইউবিএটির বিবিএ গ্র্যাজুয়েটরা। 

দক্ষ ও কর্পোরেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে এমন শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা আইইউবিএটির বিবিএ ক্লাস পরিচালনা করা হয়ে থাকে। যার ফলে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা কর্পোরেট জগতের বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে পারে। বিবিএ শিক্ষার্থীদের জন্য একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ওর্য়াকশপ ও সেমিনারসহ নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। শিক্ষার্থীদের এসপিএসএস এবং অ্যাডোবি ফটোশপ কোর্স দুটিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। যার ফলে শিক্ষার্থীরা রিসার্চ কিংবা পরিসংখ্যানসহ বিজনেসের প্রতিদিনের ব্যবহারিক নানা বিষয়ে এই দক্ষতা প্রয়োগ করতে পারে।

আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শিক্ষার্থীরা শুধু ক্লাশে তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করে না। তারা তত্ত্বের ব্যবহারও শিখে এবং বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে হাতে কলমে কাজ করার দক্ষতা অর্জন করে। এক সেমিস্টারের ইন্টার্নশীপ তাদেরকে প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনে সাহায্য করে। ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার কারণে সহজেই চাকরি পায় অথবা ব্যবসায় সাফল্য লাভ করে।’

শিক্ষার্থীরা একাউন্টিং, ফাইন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্টে অথবা প্রোডাকশন-অপারেশন ম্যানেজমেন্টে মেজর করতে পারেন। আইইউবিএটির অ্যালামনাই এবং প্লেসমেন্ট অফিস থেকে অ্যালামনাই এবং অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্কের সেতু তৈরি  করে দেওয়া হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের এবং অ্যালামনাইদের মধ্যে একটি বন্ডিং তৈরি হয়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন, বৃহৎ আঙ্গিকে ক্যারিয়ার সেমিনার ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পেশার আদ্যোপান্ত ধারণা দেওয়া হয়।

আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে স্বনামধন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। সামার ২০১৯ সেমিস্টারের জন্য আইইউবিএটির এই বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করার নিয়ম এবং এই বৃত্তির সকল তথ্য পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে। বৃত্তি জন্য আবেদন করা যাবে চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত। 

এ ছাড়াও এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে শত ভাগ পর্যন্তও মেধা বৃত্তি দেওয়া হয়। মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করতে শতকারা ১৫ শতাংশ স্পেশাল বৃত্তিসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরো ৫৭টি বৃত্তি দেওয়া হয়। বলতে গেলে আইইউবিএটিতে পড়াশুনা করার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীই আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছে।

সকল বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন রাজধানীর উত্তরা মডেল টাউনের (আশুলিয়া অভিমুখী হাইওয়ে) ১০ নাম্বার সেক্টরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিশাল সবুজ ক্যাম্পাসে। এ ছাড়াও ০১৬৮৭-১৪ ২৭ ৯২ এবং ০১৭০০-৫১ ৩৫ ৮৬  নাম্বারে যোগাযোগ করে জানতে পারবেন বিস্তারিত তথ্য।

মন্তব্য