kalerkantho

আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে নাসিফ আহমেদের কার্টুন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ মার্চ, ২০১৯ ০১:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে নাসিফ আহমেদের কার্টুন

বাংলাদেশের কার্টুনিস্ট নাসিফ আহমেদের কার্টুন নির্বাচিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুটি প্রদর্শনীতে। প্রদর্শনী দুটির প্রথমটি হলো ‘ফার্স্ট ওয়েল্ট হেইম্যাট ইন্টারন্যাশনাল কার্টুন কন্টেস্ট এক্সিবিশন ২০১৯’। যা জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিম অঙ্গরাজ্য বেডেন উটেমবার্গে অনুষ্ঠিত হয়। দর্শনীর আয়োজক জার্মানি ও তুরস্ক। বিষয়বস্ত ছিল ‘যুদ্ধ ও মানবতা’।

প্রদর্শনীতে ৮২টি দেশের কার্টুন থেকে ১৫০টি কার্টুন চূড়ান্ত পর্যায়ে নির্বাচিত হয়। যার মধ্যে নাসিফের কার্টুনটিও স্থান পায়। তার কার্টুনের শিরোনাম ‘চ্যারিটি’। বিষয়বস্তু ছিল ‘লোক দেখানো দয়াদাক্ষিণ্য’।

তাঁর দ্বিতীয় প্রদর্শনীটি হলো ‘সেকেন্ড কেবু ল্যাম্পুন ফেস্টিভ্যাল কার্টুন এক্সিবিশন ২০১৯’। সেটি ফিলিপাইনের কেবু সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৬ মার্চ এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হবে। চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত।

নাসিফ আহমেদের জন্ম সৈয়দপুরে। কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস খুলনায়। বাবা মো. জালালউদ্দিন আহমেদ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। মা তাজরিনা আক্তার গৃহিণী। আঁকাআঁকির প্রতি আগ্রহ তাঁর ছোটবেলা থেকেই।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে নাসিফ সাংবাদিকদের জানান, আয়োজকরা অনলাইনে তাদের প্রদর্শনীতে সারাবিশ্বের কার্টুনিস্টদের কাছে কার্টুন পাঠানোর আহ্বান জানান। সেখান থেকেই এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। তারপর যথারীতি কর্তৃপক্ষের নির্দেশিত প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি অনুসরণ করে তিনি তার কার্টুন প্রেরণ করেন।

নাসিফ আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরের এসব প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। এক হাজার শব্দ দিয়ে যা প্রকাশ করা যায় না, একটি ছবিতে তা বোঝানো সম্ভব।

নিজের স্বপ্নের কথা জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কার্টুনিস্ট হিসেবে সবক্ষেত্রেই জীবনকে সহজ করে তোলার, আমার ক্ষুদ্র কর্মের মাধ্যমে অন্যের মুখে হাসি ফোটাবার চেষ্টা করি। প্রকৃত শিল্পীর গুণাবলী অর্জন করে শিল্পজগতে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে চাই। আমাদের দেশে কার্টুন যেন আরো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে সেই লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যেতে চান নিরন্তর।

নাসিফ আহমেদ বর্তমানে একটি দৈনিক পত্রিকার স্টাফ আর্টিস্ট। নরওয়ের পাশাপাশি টুনসম্যাগ ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন কার্টুন ম্যাগাজিন ‘দ্রোবাক’র অথর বা কন্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজ করছেন ২০১৮ সাল থেকে। কন্ট্রিবিউটর (পলিটিক্যাল কার্টুন) হিসেবে রয়েছেন সোমালিয়ার ‘হিমাল নিউজ নেটওয়ার্কে’। এ ছাড়া কন্ট্রিবিউটর হিসেবে জার্মানির ‘টুনপুল’ পত্রিকায় কাজ করছেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা