kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৮:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচ

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রথমে এক কিশোরকে আটক করে পুলিশ। ধর্ষণে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরো তিন কিশোর এবং তাদের একজনের মাকে। 

পুলিশ বলছে, মূল অভিযুক্ত সুজিত রায়। ধর্ষণে সাহায্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার তিন বন্ধু  দ্বীপ বেধ, সৌরভ সরকার ও তার ভাই গৌরব সরকারকে। তারা সবাই নাবালক। একই অভিযোগে সৌরভের মা সাগরিকা সরকারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাতে ভারতের রানাঘাট থানার হবিবপুর এলাকায় সৌরভদের বাড়ি থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাদের রানাঘাট আদালতে হাজির করানো হলে সুজিতকে তিন দিনের রিমান্ড এবং বাকিদের ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেয়েটির বাড়ি রানাঘাট থানারই রাঘবপুর ভাঙালাইন এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার রাতে সে বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে পিরতলায় সরস্বতী পূজার মেলা দেখতে গিয়েছিল। সেখানেই সুজিতের সঙ্গে তার দেখা হয়। সুজিতের সঙ্গে ছিল দ্বীপ। তারা মেয়েটিকে নিয়ে মেলা থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে জমিদার কলোনিতে  সৌরভদের বাড়িতে  যায়। 

মেয়ে বাড়ি না ফেরায় কিশোরীর বাড়ির লোকজন আশপাশের বাড়িতে খোঁজখবর করেন। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। তাদের অভিযোগ, সৌরভদের বাড়িতে মেয়েটির পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে দেয়া হয়েছিল। সে অসুস্থ বোধ করতে থাকে। তাই তাকে শুইয়ে দেয়া হয়।  রাতে সুজিত তাকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

কিশোরীর বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। তিনি বলেন, রাতে আমি বাড়ি ফিরে শুনি, মেয়ে মেলায় গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরেনি।

তার স্ত্রী ও অন্য আত্মীয়েরা তাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়েছিলেন। তিনিও বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু খোঁজ মেলেনি। তার কথায়, ভেবেছিলাম, রাতে ওকে না পেলে পরের দিন পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাব। পরের দিন শুনি, একটি ছেলের বাড়িতে আমার মেয়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে ওকে নিয়ে আসি। তার পর মেয়ের মুখে সব শুনে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।

তার দাবি, আমি ওই ছেলেগুলোকে চিনি না। আটক সাগরিকা অবশ্য দাবি করেছেন, কী করে কী ঘটেছে, তা তার জানা নেই। তিনি জানান, তাদের একটিই ঘর। সেই ঘরের খাটে মেয়েটিকে  এবং মেঝেতে ছেলেদের ঘুমাতে দিয়েছিলেন। তার পরে কী ঘটেছে, তিনি জানেন না। তার দাবি, মেয়েটিকে বাড়িতে দিয়ে আসতে বলেছিলাম ছেলেদের। কিন্তু মেয়েটি যেতে রাজি হয়নি। বাধ্য হয়েই আমার বাড়িতে ওদের শোয়ার ব্যবস্থা করি।

পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা