kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে শিক্ষিকার আত্মহত্যাচেষ্টা, বাঁচিয়েছেন ঘাটকর্মীরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে শিক্ষিকার আত্মহত্যাচেষ্টা, বাঁচিয়েছেন ঘাটকর্মীরা

শিক্ষিকাকে প্রাণে বাঁচিয়েছেন এই দু'জন

ইঞ্জিনচালিত নৌকা তখন মাঝগঙ্গায়। হঠাৎ নৌকায় থাকা যাত্রীরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ঝাঁপ দিয়েছে, ঝাঁপ দিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে দু’পাড় থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে সেখানে হাজির হন ঘাটকর্মীরা। 

হাবুডুবু খেতে থাকা নারীকে টেনে তুলে পাঠানো হয়  হাসপাতালে। গতকাল শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুরের যুগল আঢ্য ফেরি ঘাট এবং ব্যারাকপুরের ধোবী ঘাটের মাঝখান থেকে অবশ্য শেষরক্ষা করা গেছে ওই নারীকে।

পুলিশ ও ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ ৪০ বছর বয়সী ওই নারী শ্রীরামপুর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ওঠেন। নৌকা মাঝগঙ্গায় পৌঁছালে লাইফ জ্যাকেট, জুতো এবং মানিব্যাগ খুলে রাখেন তিনি। তার পর ঝাঁপ দেন। নৌকায় তখন ৩০ জনের মতো যাত্রী ছিল। 

শ্রীরামপুরের ঘাটে তখন দায়িত্বে ছিলেন সঞ্জীব বিশ্বাস নামে এক জলসাথী। তিনি জানান, মাঝি আর যাত্রীদের চিৎকার শুনে রাম হালদার নামে এক ঘাটকর্মী নৌকা নিয়ে সেখানে যান। ব্যারাকপুরের দিক থেকে রাজেশ গিরি নামে এক মাঝিও পৌঁছান। রাজেশ বলেন,  ওই নারী তখন হাবুডুবু খাচ্ছেন। আমি ঝাঁপ দিয়ে সহকর্মী এবং যাত্রীদের সাহায্যে ওই নারীকে নৌকায় তুলি।

সঞ্জীব বলেন, ওই নারী ততক্ষণে অচেতন হয়ে গিয়েছিলেন। ঘাটে তার পেট থেকে পানি বের করা হয়েছে। তারপর শ্রীরামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই।

শ্রীরামপুরের বাসিন্দা ওই নারী পেশায় শিক্ষিকা। শ্রীরামপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্তোষ সিংহ বলেন, যে ভাবে সঞ্জীবরা ওই নারীকে উদ্ধার করেছেন, তার জন্য কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।

তবে ওই নারী ঠিক কী কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন, সেটা এখনো জানা যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা