kalerkantho

সবিশেষ

পৌনে দুই কোটি টাকায় ‘ভুল’ কয়েন বিক্রি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ১১:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পৌনে দুই কোটি টাকায় ‘ভুল’ কয়েন বিক্রি!

স্কুল থেকে টিফিন কিনে ফেরত টাকার মধ্যে একটি ‘ভুল’ কয়েন পেয়েছিলেন কিশোর। ৭২ বছর পর সেই ‘ভুল’ কয়েনের নিলাম হলো চড়া দামে! গত বৃহস্পতিবার ওই নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯৪৩ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। সে সময় যুদ্ধসামগ্রী যেমন বোমা, ফোনের তার তৈরিতে তামা বিপুল হারে ব্যবহৃত হতো। জোগান পর্যাপ্ত রাখতে তামার ব্যবহার অন্যান্য খাতে যতটা সম্ভব কমানো হয়। তাই দস্তার প্রলেপ লাগানো স্টিলের কয়েন ছাপানো হতো আমেরিকায়। সেই সময়েই টাকশালে ভুলবশত ২০টি তামার মুদ্রা তৈরি হয়। সেই কয়েনগুলো বাজারে বেরিয়েও যায়। কিছুদিন পর কথা ছড়িয়ে পড়ে, এই লিংকন (কয়েনে আব্রাহাম লিংকনের ছবি ছিল) কয়েন ভুলবশত ছাপা হয়েছে এবং যে এই বিরল কয়েন ফেরত দেবে ফোর্ড মোটর কম্পানি তাঁকে ওই কয়েনের পরিবর্তে গাড়ি দেবে। অফারের লোভে নকল তামার কয়েনে বাজার ছেয়ে যায়।

১৯৪৭ সালে স্কুলের ক্যাফেটেরিয়ায় লিংকন কয়েন পান ১৬ বছরের জন লুটস জুনিয়র। খাবার কিনে টাকা ফেরত হিসেবে ওই কয়েন পেয়েছিল ছোট্ট জন। বিরল কয়েনের বিনিময়ে গাড়ি পাওয়ার খবর জনও জানতেন। কিন্তু ট্রেজারি ও ফোর্ড মোটর কম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, কয়েনের বদলে গাড়ি দেওয়ার প্রস্তাব পুরোটাই গুজব। সবাই জনকে তখন বুঝিয়েছিল, এটা আসল লিংকন কয়েন নয়। তা সত্ত্বেও কয়েনটা নিজের কাছে রেখে দেন জন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এর আগেই তিনি জানতে পারেন, তাঁর কাছে থাকা কয়েনটি আসল। মৃত্যুর আগে তিনি চেয়েছিলেন কয়েনটা বিক্রি করে দিতে, যাতে তাঁর অবর্তমানে এই বিরল কয়েন সঠিক জায়গায় পৌঁছায়। গত বৃহস্পতিবার জনের সংগ্রহের ওই কয়েন নিলামে ওঠে।

দুই লাখ চার হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে জনের ওই কয়েন, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা এক কোটি ৭০ লাখ টাকার সমান। ২০১০ সালে এমনই একটি কয়েনের নিলাম হয়েছিল। দাম উঠেছিল এক লাখ ৭০ হাজার ডলার। পিটসফিল্ডে একটি লাইব্রেরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জন। নিলামের টাকা সেই লাইব্রেরির উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে। সূত্র : আনন্দবাজার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা