kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

হ্যাঁচকা টানে ছিঁড়ে গেছে নবজাতকের দেহ, মাথা গর্ভে রেখেই হাসপাতাল থেকে রিলিজ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৮:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হ্যাঁচকা টানে ছিঁড়ে গেছে নবজাতকের দেহ, মাথা গর্ভে রেখেই হাসপাতাল থেকে রিলিজ

প্রসবের সময় নবজাতকের পা ধরে সজোরে হ্যাঁচকা টান দিয়েছেন চিকিৎসকের সহকারী। এতে ছিন্ন হয়ে গেছে নবজাতকের মাথা। দেহের একটি অংশ বাইরে বেরিয়ে এলেও শিশুটির মাথা রয়ে গেছে মায়ের গর্ভেই।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানের জয়সলমিরের একটি সরকারি হাসপাতালে। ঘটনাটি ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে সপ্তাহখানেক আগে। যদিও সেটি প্রকাশ্যে এসেছে সম্প্রতি। অভিযোগ উঠেছে, জয়সলমিরের রামগড়ের ওই সরকারি হাসপাতালের এক স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে।

শিশুর দেহের বাইরে বেরিয়ে আসা ছিন্ন অংশটি মর্গে ফেলে দিয়েছিলেন ওই স্বাস্থ্যকর্মী। শিশুর মাথা যে ওই নারীর গর্ভে রয়েছে, এ কথা কাউকে জানাননি তিনি।

প্রসূতি ওই নারীর পরিবারকে ফোন করে জোধপুরের সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এর পর ওই নারীকে জোধপুরের উমেদ হাসপাতালে নিয়ে যায় তার পরিবার। উমেদ হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞকে অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী জানান, নারীর প্রসব সম্পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু গর্ভের ভিতর প্লাসেন্টা রয়ে গেছে।

এর পরই উমেদ হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি দল অস্ত্রোপচার শুরু করেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই পুরো বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা স্তম্ভিত হয়ে যান।

তারা দেখতে পান, গর্ভের ভিতর একটি বিকৃত শিশুর মাথা উঁকি মারছে। তখনই অস্ত্রোপচার করে তারা ছিন্ন শিশুর মাথা মায়ের গর্ভ থেকে বাইরে বের করে আনেন।

এর পরই ওই নারীর পরিবারকে পুরো বিষয়টি জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রামগড় হাসপাতালের কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন সেই নারীর স্বামী। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এই ঘটনার প্রেক্ষিতে। যে নারীর সঙ্গে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, তিনি এখন উমেদ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন বলে জানা গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা