kalerkantho

বিড়ালের খোঁজে বেরিয়ে ৭ ফুট কুমিরের সামনে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিড়ালের খোঁজে বেরিয়ে ৭ ফুট কুমিরের সামনে

হারানো বিড়াল খুঁজতে গিয়ে খোঁজ পেয়েছেন কুমিরের। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে। গত মঙ্গলবার দুপুরে পাসকাগলা শহরের বাসিন্দা ব্রুক স্নো দেখেন, তার পোষা বিড়াল লাপাত্তা।

পুরো বাড়ি আতিপাতি করে খুঁজেও তার দেখা মিলছে না। অবশেষে বিড়ালের খোঁজে বাড়ির বাইরে পা রাখেন ব্রুক। শুরু হয় খোঁজ। সঙ্গে ছিলেন তার সৎ-মেয়েও।

কলম্বাস ড্রাইভের আশপাশের রাস্তা-ঝোপঝাড় ছাড়াও নর্দমাতেও চোখ ঘোরাতে থাকেন ব্রুক। যদি বিড়ালটা তাতে পড়ে গিয়ে থাকে!

এ ভাবেই পাড়ার একটি নর্দমার কাছে গিয়ে তার ভেতরে নজর দিতেই তো ব্রুকের চোখ কপালে উঠে যায়। সেখান থেকে উঁকি মারছে একটি কুমির।

প্রথমে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না ব্রুক।  থতমত খেয়ে যান। এর পর আবারো নর্দমার ভেতর তাকান। পরের বারও একই দৃশ্য। একটা বড়সড় কুমিরই বটে!

তিনি বলেন, এর পর আমার মোবাইল ফোন বের করে ওই কুমিরটার ছবি তুলতে শুরু করি।

তবে শুধু ছবি তুলেই থেমে থাকেননি ব্রুক। খবরও দিয়েছেন অ্যানিম্যাল কন্ট্রোল অফিসারদের।  ব্রুকের ফোন পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে হাজির হন তারা।  

তবে কুমিরের সাইজ দেখে তারা মিসিসিপির বন দপ্তরকে খবর দেন। মিসিসিপির ওয়াইল্ড লাইফ, ফিশারিজ অ্যান্ড পার্কস দপ্তরের কর্মীরা এ বিষয়ে খুবই দক্ষ। কোনো বন্যপ্রাণী লোকালয়ে এসে পড়লে তাদের ধরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান তারা।

নর্দমার ঝাঝরি খুলে তারাই একটি আঁকশি আর দড়ি দিয়ে কুমিরটাকে বাইরে বের করে আনার চেষ্টা শুরু করেন। তিন জন কর্মী মিলে কুমিরটিকে নর্দমা থেকে টেনে তুলতে শুরু করেন।  

এক জন আঁকশি দিয়ে কুমিরটিকে নর্দমা থেকে সামান্য টেনে উপরে তোলেন। দেখা যায়, তা প্রায় সাত ফুট লম্বা।  উপরে টেনে তোলার সঙ্গে সঙ্গেই অন্য জন কুমিরের বিশাল হা-করা মুখে একটি দড়ির ফাঁস পরিয়ে দেন।

আঁকশি দিয়েই তাকে টেনে বের করা হয় নর্দমার বাইরে। এর পর নাছোড়বান্দা কুমিরের পিঠে চেপে বসেন এক জন। এ বার কুমিরের মুখে টেপ বেঁধে দেন অন্য জন।  

শেষাবধি তাকে ওই এলাকা থেকে নিয়ে গিয়ে একটি জলাভূমিতে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা