kalerkantho

মঙ্গলবার । ১ আষাঢ় ১৪২৮। ১৫ জুন ২০২১। ৩ জিলকদ ১৪৪২

'হকিং-কে ১৫ বছর আগেই মেরে ফেলতাম'!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মার্চ, ২০১৮ ১১:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'হকিং-কে ১৫ বছর আগেই মেরে ফেলতাম'!

কিংবদন্তী পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মঙ্গলবার কেমব্রিজে নিজের বাড়িতে মারা গেছেন। এই কালজয়ী পদার্থবিদ ৭৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। হকিং-এর মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার এই মৃত্যুর পরই টুইট-এ একটি গোপন তথ্য প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানী সারা পারকক। তিনি টুইট বার্তায় বলেন, 'হকিংকে আমি ১৫ বছর আগেই মেরে ফেলতে গিয়েছিলাম।'

মাত্র ২১ বছর বয়সে জটিল স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত হন স্টিফেন হকিং। এর ফলে, মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তার জীবনটা হুইল চেয়ারেই কেটেছে। কিন্তু এই সমস্যা তাকে মোটেও কাবু করতে পারেনি। বিজ্ঞান মনস্কতা নিয়েই জীবনটা পার করে দিয়েছেন বিরলপ্রজ-অদম্য এই বিজ্ঞানী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়েই ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে নিজেকে গবেষণায় নিয়োজিত রেখেছিলেন হকিং। ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহবর নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবীজুড়ে খ্যাতি লাভ করেন তিনি। বিশেষত, বিজ্ঞানের যেকোনো জটিল বিষয়কে সহজ সরলভাবে বুঝিয়ে দেওয়াই ছিল তার অন্যতম কৃতিত্ব।

অথচ এমন একজন বিরল প্রতিভাকে ১৫ বছর আগেই নাকি মেরে ফেলতে গিয়েছিলেন সারা পারকক! কিন্তু কেনও? 

এ বিষয়ে সারা পারকক টুইটে জানিয়েছেন, ১৫ বছর আগে একদিন কেমব্রিজের একটি রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ফিরছিলেন তিনি। রাস্তার দু'ধারে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি পার্ক করা ছিল। দুটি গাড়ির মাঝখান দিয়ে আচমকা হকিং-এর হুইলচেয়ার গড়িয়ে রাস্তার মাঝখানে চলে আসে। সেসময় সারার মোটরসাইকেলটি প্রচণ্ড গতিতে ছিল। ইমার্জেন্সি ব্রেক চেপে কোনোরকমে দাঁড়ান তিনি। প্রাণে বাঁচেন হকিং। 

সারা বলেন, 'এই ঘটনা আমার কোনও দোষই ছিল না। পুরো দোষটাই ছিল হকিং-এর।'

সূত্র: জি-নিউজ

 

 



সাতদিনের সেরা