kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

'আমি সন্তান নিতে চাই, কিন্তু বছরে মাত্র দুই বার...'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৫:১৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'আমি সন্তান নিতে চাই, কিন্তু বছরে মাত্র দুই বার...'

এক বিবাহিত নারীর দাম্পত্য জীবনের সমস্যা এবং তার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বিশেষজ্ঞ।

নিজের সমস্যা তুলে ধরেছেন এভাবে, আমার স্বামীর যৌন আকাঙ্ক্ষা কম। এটা আমি অনেক আগে থেকেই জানতাম। তখন অবশ্য মনে হতো, এতে কোনো সমস্যা নেই। বরং বিষয়টা অনেক ভালো। কারণ আমারো যৌনতা নিয়ে অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষা নেই। অথচ আমি দেখে ফেলি যে, সে প্রায়ই অন্য নারীদের কাছে সেক্সি মেসেজ পাঠায়। বিয়ের আগেই সে আমার সঙ্গে প্রতারণা করে। তবে এসব বিষয় পেছনে ফেলে আমরা সংসার করছি। এখন একটা ফুটফুটে শিশু চাই। কিন্তু সমস্যা হলো, আমাদের বছরে মাত্র দুইবার সেক্স হয়। এ নিয়ে ওর সঙ্গে কথা বলতে গেলেই ঝগড়া লেগে যায়। এখন আমি কি করতে পারি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটা একজনমাত্র নারীর সমস্যা নয়। অসংখ্য নারী একই সমস্যায় জর্জরিত। অনেক পুরুষ আছেন যারা নারীদের সঙ্গে সেক্স করতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন। সাধারণত তাদের কাছে যারা গুরুত্বপূর্ণ, তাদের প্রতি যৌন আকাঙ্ক্ষা তেমন কাজ করে না। অথচ গুরুত্ব নেই এমন নারীদের প্রতি তারা উত্তেজনাকর যৌন অনুভূতি বোধ করেন। এর পরিষ্কার কারণ দর্শানো খুব জটিল বিষয়। হয়তো এমন হতে পারে যে, তারা ছোটকাল থেকে শিখে এসেছে সেক্স নোংরা বিষয়। আর সুন্দর ও ভালো নারীরা এসব পছন্দ করেন না।

বিশেষজ্ঞরা ওই নারীকে জানাচ্ছেন, বিয়ের আগে থেকেই এ বিষয়ে জানার পরও আপনি চুপ ছিলেন। এতে করে আপনার স্বামী হয়তো বুঝে নিয়েছেন যে, ন্যূনতম যৌনতা দিয়েই তাদের দাম্পত্য জীবন কেটে যাবে। তবে এ অবস্থায় যদি সন্তান নিতে চান, তবে আলোচনা করে সমাধানে আসতে হবে।

সমাধানে আসতে হলে স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করুন। তার প্রতি আপনার আচরণ এমন হবে তিনি যেন নিজেকে অযোগ্য বলে মনে না করেন। শুধু নিজেদের জন্যে নয়, এই পরিবার এবং তার ভবিষ্যতের জন্যে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করুন। দাম্পত্য সম্পর্ক এবং পরিবার গঠনের জন্যে যৌনতা অপরিহার্য। এটি একেবারে সাধারণ এক যুক্তি। এভাবে কথা বললে আপনার স্বামী ইতিবাচকভাবে আলোচনায় যোগ দেবেন। তিনি সমস্যাটা বুঝতে পারবেন এবং আপনার প্রস্তাবে রাজি হবেন। অনেকে সন্তান না নেওয়ার অজুহাতে যৌনতা এড়িয়ে যান। কিন্তু এটা আসলে সচেতন চিন্তা-ভাবনার লক্ষণ নয়। তবে কারণটা যাই হোক না কেন, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে আন্তরিক আলোচনাটাই জরুরি।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা