kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ জুলাই ২০১৯। ৩ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৪ জিলকদ ১৪৪০

এবার বানরের ঢংয়ে উদযাপিত হচ্ছে চাইনিজ নববর্ষ ২০১৬

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এবার বানরের ঢংয়ে উদযাপিত হচ্ছে চাইনিজ নববর্ষ ২০১৬

আজ থেকে শুরু হয়েছে চাইনিজদের নববর্ষে মহোৎসব। নতুন এ বছরের শুরু আজ ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। এর শেষ হবে ২০১৭ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখে।

চাইনিজদের এই বিশাল আনন্দ উৎসব উদযাপিত হবে গোটা বিশ্বের নানা স্থানে। হং কংয়ের বিখ্যাত টেম্পল ওং তাই সিন-এ জড়ো হয়েছে অসংখ্য মানুষ। লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়ারের ন্যাশনাল গ্যালারিতে আয়োজিত হয় নতুন বছরের আদলে এক ফ্রি ফ্যামিলি ডে। এখানে ৬৬ মিটার দীর্ঘ ড্রাগন দেখানো হবে যা মার্চের ৬ তারিখ পর্যন্ত প্রদর্শিত হবে।

চাইনিজদের নববর্ষ স্প্রিং ফেস্টিভেল নামেও পরিচিত। একে লুনিসোলার চাইনিজ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী উদযাপিত হচ্ছে। দিনক্ষণ বছরের পর বছর বদলে যাচ্ছে। সাধারণত এই উৎসব নববর্ষের প্রথম দিনের আগের দিন থেকে শুরু হয়। নতুন বছরের ১৫তম দিন পর্যন্ত তা চলে।

প্রতিটি চাইনিজ নিউ ইয়ারকে ১২টি প্রাণী দ্বারা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয়। এই প্রাণীদের দেখা মেলে চাইনিজ জোডিয়াকে। চাইনিজ জোডিয়াক ১২টি অংশ বা বাড়িতে  বিভক্ত। এ বছর চক্রে আছে বানর। পরে ২০২৮ সালে আবারো বানরের বছর আসবে।

বানরের এই বছরে যারা জন্মগ্রহণ করবেন তারা উচ্ছল, প্রাণবন্ত, দ্রুততর, উৎসাহী, উদ্ভাবনী এবং চৌর্যবৃত্তি স্বভাবের হবে। বানরের বছরে জন্ম নেওয়া মানুষের ভাগ্য গণনার বিষয়টি এরকম।

১. সৌভাগ্যের নম্বর : ১, ৭ এবং ৮।
২. সৌভাগ্যের রং : সাদা, সোনালী এবং নীল।
৩. সৌভাগ্যের ফুল : ক্রিসেনথিমাম এবং অ্যালিয়ামস।
৪. সৌভাগ্যের দিক : উত্তর, উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম।

বানরের বছরে যারা জন্ম নিয়েছিলেন- জুলিয়াস সিজার, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি, চার্লস ডিকেন্স, লর্ড বাইরন, এলিজাবেথ টেইলর, ডায়ানা রস, মাইকেল ডগলাস, অ্যালিস ওয়াকার, টম হ্যাঙ্কস, উইল স্মিথ, হ্যালি বেরি, ক্রিস্টিনা অ্যাগুইলেরা, এলিয়ানর রুজভেল্ট, সেলেনা গোমেজসহ আরো অনেকে।

নিচের ছবিতে কোন সালে জন্ম নেওয়া মানুষরা কোন জোডিয়াক চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত হবেন তা দেখানো হয়েছে।

এসব জোডিয়াক চিহ্নের মধ্যে রয়েছ আরো আছে ইঁদুর, ষাড়, বাঘ, খরগোশ, ড্রাগন, সাপ, ঘোড়া, ভেড়া, মোরগ, কুকুর, শুকর। এদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে।

নানাভাবে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানায় মানুষ। কোনো অঞ্চলে শুভেচ্ছার বাণী ইংরেজিতে করল দাঁড়ায় 'নিউ ইয়ার গুডনেস'। কোন অঞ্চলে বলা হয় 'হ্যাপিনেস অ্যান্ড প্রোসপারিটি'। আবার কোথাও বলা হয় 'অন দ্য আপ অ্যান্ড আপ'।

লন্ডনের চায়না টাউনে বিপুল মানুষের আগমন ঘটেছে। সেখানে এক ঐতিহ্যবাহী প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে যা চেরিং ক্রস রোড এবং শাফটসবুরি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। রিজেন্ট স্ট্রিটে চাইনিজ নববর্ষ অনুষ্ঠিত হবে ইচ্ছাপূরণের গাছদের কাছে মনের ইচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে।

গোটা বিশ্বে ১০টি বিমাল চায়না টাউন রয়েছে যেখানে নববর্ষের জাঁকজমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবার বানরের বৈশিষ্ট্য ঢংয়েই নববর্ষ পালন করা হয়। সূত্র : টেলিগ্রাফ

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা