kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সম্পর্কে নেতিবাচক সংকেত: ‘রেড ফ্ল্যাগ’

সম্পর্কে যে সকল সংকেত দেখে সতর্ক হওয়া উচিত

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৩:৪৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্পর্কে যে সকল সংকেত দেখে সতর্ক হওয়া উচিত

ছবি-সংগৃহীত

যেকোনো সম্পর্কের শুরুতে ভালো দিকগুলো দেখতে গিয়ে অনেক সময় আমরা বেশ কিছু নেতিবাচক সংকেত বা ‘রেড ফ্ল্যাগ‘ এড়িয়ে যাই। তবে সম্পর্কের ছয় মাস পেরিয়ে গেলে এই সংকেতগুলো সহজেই বোঝা যায়। মনোরোগ ও অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন সম্পর্কের ছয় মাসের মধ্যে যেসব নেতিবাচক সংকেত পেলে আপনার সতর্ক হওয়া উচিত।  

১. ‘সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া—সেটা হোক কোথায় খেতে যাবেন বা সম্পর্কের খাতিরে যেকোনো ছোটবড় সিদ্ধান্ত’, বলেন ভার্জিনিয়ার একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

বিজ্ঞাপন

 

২. আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা। যদি আপনার সঙ্গী তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে তিনি আপনার অনুভূতিরও মূল্য দিতে পারবেন না। আমাদের উচিত এমন কারো সাথে থাকা যে নিজের সব ধরণের আবেগ, যেমন ভয়, রাগ বা হতাশা সম্পর্কে সচেতন। এ ধরনের মানুষ কখনও নিজের অনুভূতির দোহাই দিয়ে অন্যের ক্ষতি করেন না।   

৩. সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতা যেমন আপনার বন্ধুদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য; সবসময় দোকান বা রেস্টুরেন্টে টাকা দিয়ে দেওয়া অথবা সব সময় আপনাকে টাকা দিতে বলা; টাকা নিয়ে অস্বস্তিকর কথা বলা; ফোন ধরতে দেরি হলে রাগ করা, আপনার একা সময় কাটানো অপছন্দ করা। এরকম ব্যবহার দেখতে পেলে সতর্ক হওয়া উচিত কারণ পরবর্তীতে এসব আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।  

৪. ‘একজন বন্ধুহীন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ,’ একটি রেড ফ্ল্যাগ, বলেন মিশিগানের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ট্রেজার ওয়াইল্ড।  

৫. সম্পর্কে সীমারেখা, চাওয়া-পাওয়া ও যোগাযোগ খুব দরকারি। আপনার পছন্দ বা অপছন্দের বিষয়গুলো যদি আপনার সঙ্গীকে না জানাতে পারেন, অথবা সরাসরি যোগাযোগ না করে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলতে হয়, তবে সেটি অবশ্যই একটি নেতিবাচক সংকেত। তাছাড়া আপনাদের দুজনের পরিকল্পনা যদি ভিন্ন হয়, যেমন ধরুন আপনি ভবিষ্যতে বিদেশে চলে যেতে চান কিন্তু আপনার সঙ্গীর তাতে সায় নেই, তাহলে সম্পর্কটি নিয়ে আবার ভালো করে ভেবে দেখা উচিত।  

৬. আপনার দুঃখ, চাওয়া বা প্রয়োজন নিয়ে নিরাপদে কথা বলতে না পারা। আপনার সঙ্গীর সাথে যেকোনো বিষয়ে কথা বলতে আপনার নিরাপদ বোধ করা উচিত। তা যদি না হয় তবে বিবেচনা করে দেখুন এমনটা কেন হচ্ছে।  

৭. কোনো সমস্যায় যদি আপনার সঙ্গী আপনার দোষ দেন বা কখনও ক্ষমা না চান, তাহলে আপনার সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ দ্বন্দ্ব সমাধানের দক্ষতা জীবনে চলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ।  

৮. সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া। খোলাখুলি আলোচনা করে যেকোনো সমস্যা সমাধান করে না নিলে সেই সম্পর্কে তিক্ততা চলে আসে।  

৯. আকস্মিকভাবে রেগে যাওয়া।   

১০. অতিরিক্ত যোগাযোগ করার প্রবণতা। আপনার কাজের সময় বা বন্ধুদের সাথে বেড়াতে গেলেও যদি আপনার সঙ্গী ফোন বা ক্ষুদেবার্তা পাঠাতে থাকেন এবং আপনাকে সাড়া দিতে বাধ্য করেন, তাহলে এটি একটি বড় নেতিবাচক সংকেত। এমন চলতে থাকলে খুব দ্রুত আপনার সব সময় সঙ্গীর জন্য বরাদ্দ করতে হবে যা আদৌ স্বাস্থ্যকর নয়।  

সূত্র: বাজফিড



সাতদিনের সেরা