kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

উচ্চ রক্তচাপে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ জুলাই, ২০২১ ১১:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উচ্চ রক্তচাপে করণীয়

উচ্চ রক্তচাপ আজকাল খুব সাধারণ একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ না নিলে এই উচ্চ রক্তচাপ থেকেই দেখা দিতে পারে জটিল সমস্যা, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। এ জন্য উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমাতে ওষুধের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপে এই খাবারগুলো তালিকায় রাখুন :

রসুন

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খান। এতে করে হার্টের সমস্যা কম হয় এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। রসুনে অ্যালিসিন নামে যৌগ রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

পেঁয়াজ

পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে কোয়েরসেটিন ফ্লেভনয়েড থাকে। এটি ধমনিকে পাতলা করে। ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পালং শাক
পালং শাক খেতে যেমন সুস্বাদু , তেমনই পুষ্টিকর। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, কেরোটিন এবং আয়রন। এই উপাদানগুলো রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উচ্চ রক্তচাপের কারণগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

বিট

 রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে দারুণ উপাদেয় বিট। শীতকালে বাজারে ভালো বিট পাওয়া যায়। তাজা বিটে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রেট থাকে। ব্লাড ভেসেলগুলোক মুক্ত রাখতে সাহায্য করে বিট। ফলে সারা শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।

উচ্চ রক্তচাপে এই খাবারগুলো বাদ দিন

লবণের মতো চিনি খাওয়াও কমিয়ে দিন। মিষ্টি, কেক, পেস্ট্রি, পিনাট বাটার ইত্যাদি কম খান। খাসির মাংস, গরুর মাংস, ভেড়ার মাংস- এসব লাল মাংস খাওয়া বন্ধ করুন। অ্যালকোহল, তেল, ঘি, চিজ ইত্যাদি খাবার তালিকা থেকে বাদ দিন। খাবারের তালিকায় রাখুন মুরগি, মাছ, সবুজ শাকসবজি, দানাশস্য ইত্যাদি। সকাল, দুপুর, বিকেল এবং রাতের খাবার একেবারেই এড়িয়ে যাবেন না।

জীবনযাত্রা

- নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।
- নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যান। তার পরামর্শ মেনে চলুন।
- প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমান।
- ধূমপান বন্ধ করুন, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, উদ্বেগ, অবসাদ, হতাশা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। শরীরে তরলের ঘাটতি মেটাতে ভুলেও কোমল পানীয় খাবেন না। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত খাওয়া বাদ দিন।

- কফি বা ক্যাফাইনযুক্ত খাবার বা পানীয় পারলে একেবারেই ছেড়ে দিন।

সুস্থ থাকতে হলে নিয়ম মেনে জীবন যাপন করতে হবে। আর এভাবেই আপনি রোগমুক্ত থাকতে পারবেন।



সাতদিনের সেরা