kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

'ডেটিং অ্যাপ' ভাঙছে একের পর এক সংসার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ১৫:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ডেটিং অ্যাপ' ভাঙছে একের পর এক সংসার

ইন্টারনেটের এই যুগে গোপন কিংবা প্রকাশ্য বন্ধুত্বের জন্য ডেটিং অ্যাপ ব্যাপক জনপ্রিয়। এই সুযোগে কিছু চিটিং সাইট অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। কোনো গোপনীয়তা নেই, এসব সাইট বেশ ঘটা করেই নিজেদেরকে চিটিং সাইট বলে থাকে। এমনই একটি সাইট  অ্যাশলে ম্যাডিসন ডট কম। কানাডার ওয়েবসাইট অ্যাশলে ম্যাডিসন প্রতিষ্ঠিত এই সাইটের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে, মানুষকে পরকীয়া করার সঙ্গী খুঁজে দেওয়া। একটা নির্দিষ্ট অংকের বিনিময়ে তাদের সদস্য হওয়া যায়। তারপর এই ডেটিং সাইট ওরফে চিটিং সাইট থেকে খুঁজে নিতে পারবেন মনের মত পরকীয়ার সঙ্গী। 

অ্যাশলে ম্যাডিসন ডট কমের স্লোগান হচ্ছে, 'জীবন ছোট, একটি প্রেম করুন!' অনলাইনে ক্রমশ বাড়ছে এমন বিভিন্ন ধরনের চিটিং সাইটের প্রসার। লক্ষ লক্ষ  মানুষের গন্তব্য এখন ডেটিং ওয়েবসাইটগুলি। এসব সাইটের কারণে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে পরকীয়া।  অনেকেই এসব সাইটের সাহায্যে দাম্পত্য জীবন থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। কিংবা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করছে। এই ধরনের একটি ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা নোয়েল বাইডারম্যান নিজেদের সাফাইতে বলেন, 'কেউ আমাকে এমন কোনও সমাজ দেখাতে পারবে না, যেখানে বিশ্বাসভঙ্গের ঘটনা ঘটে না।'

আবার ডেটিং সাইট প্রসঙ্গে ২৯ বছর বয়সী এক ভারতীয় নারী বলছেন, এই ধরনের ওয়েবসাইটের সাহায্যে তিনি তার অবিশ্বস্ত স্বামীর প্রতি প্রতিশোধ নিতে পেরেছেন। আবার ৪৫ বছর বয়সী এক বিবাহিত পুরুষ বললেন, এটা তার পরিবার ভাঙতে ইন্ধন যুগিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অ্যাশলে ম্যাডিসন ডট কমের মত আরও ডজনখানেক চিটিং ওয়েবসাইট এখন জনপ্রিয়তা পেয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই  প্রশ্ন উঠেছে, এসব সাইট কি 'বিশ্বাসভঙ্গ' উৎসাহিত করছে?

এ সম্পর্কে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনের সমাজবিজ্ঞানের এক প্রফেসর পিপার স্কুয়ার্জ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'আমার ধারণা, কিছু মানুষ তাদের সম্পর্কের বাইরে যৌনতা কামনা করে। কিন্তু, কীভাবে তা করবে, সে সম্পর্কে কোনও ধারণা করতে পারে না। তাদেরকে কেবল রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে এসব সাইট।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা