kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

ফ্রিজের যত্ন নেবেন যেভাবে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জানুয়ারি, ২০২০ ১৭:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফ্রিজের যত্ন নেবেন যেভাবে

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ফ্রিজের গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের দিনে রেফ্রিজারেটর ছাড়া জীবন ভাবাই যায় না। গ্রীষ্ম হোক বা শীতকাল, ফ্রিজ না থাকলে চলেই না। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, খাবারের পুষ্টিগুণ ঠিক রাখার জন্য ফ্রিজকেও সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে। ফ্রিজের যত্ন না নিলে এর বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য এবং স্বাদ দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রিজ থেকে রাখার জন্য আপনাদের জন্য রইল কিছুই টিপস:

তাপমাত্রা ঠিক রাখুন : ফ্রিজের ভিতরে তাপমাত্রা ঠিকঠাক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেগুলেটর সেট করে তাপমাত্রা রাখুন ৩৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট থেকে ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এর ফলে খাদ্যগুণ নষ্ট হবে না। অনেক দিন তাজা থাকবে কাঁচা বাজার থেকে রান্না করা খাবার।

বেশিক্ষণ খুলে রাখবেন না : রেফ্রিজারেটরের দরজা বেশি খুলে রাখবেন না। কারণ এর ফলে যখনই আপনি এর দরজা খুলবেন, বাইরের গরম বাতাস বেশি করে ভিতরে প্রবেশ করবে। ফলে ফ্রিজের কর্মদক্ষতা কমে যাবে। তাই দীর্ঘদিন একে সুস্থ রাখতে ভিতরে বেশি করে জিনিস রাখুন। আর রান্না করা খাবার সবসময় মুখঢাকা পাত্রে রাখুন। তারপরেও যদি ফ্রিজে কটু গন্ধ ছড়ায়, একটি খোলা পাত্রে কয়েক টুকরো পাতিলেবু রেখে দিন। দুর্গন্ধ থাকবে না।

দরজা ঠিকমতো বন্ধ করুন : এই সমস্যাটা খুবই সাধারণ। আমরা ফ্রিজ থেকে কিছু বার করার বা ফ্রিজে কিছু রাখার পরে এর দরজা কেবলমাত্র ছেলে দিই। অনেকেই শেষ অবধি খেয়াল করি না দরজাটা ঠিকমতো বন্ধ হল কি না। আবার যখন ফ্রিজ খোলার দরকার হয়, তখন দেখতে পাই আগের বার  দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এর ফলে ফ্রিজ এবং এর ভিতরে রাখা জিনিস, দুটিরই মারাত্মক ক্ষতি হয়।

গ্যাসকেট পরিস্কার রাখুন : অনেক সময় গ্যাসকেটের সমস্যার জন্যেও এটা হয়। ফ্রিজের দরজায় যে রাবারের ফ্রেমের আস্তরণ থাকে, তাকে বলা হয় গ্যাসকেট। এটাই ফ্রিজের দরজাকে নিশ্ছিদ্র ভাবে বন্ধ থাকতে সাহায্য করে। দেখবেন, যেন এটা কোনোভাবেই ফ্রিজের দরজা থেকে আলগা না হয়ে যায়। বছরে অন্তত দুই বার জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পরিষ্কার করুন গ্যাসকেট। দেখবেন, এর সঙ্গে যেন খাবারের টুকরো আটকে না থাকে। দরকার হলে পেশাদারদের ডেকে গ্যাসকেট পরিষ্কার করিয়ে নিন।

ফ্রিজের ভেতর নিয়মিত পরিষ্কার করুন : ফ্রস্ট এবং ধূলিকণার জন্য ফ্রিজের স্বাস্থ্যহানি হয়। তাই নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন ফ্রিজের অন্দরমহল। ফ্রিজ পুরো খালি করে ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। এরপর সঙ্গে সঙ্গে খাবার রাখবেন না। প্রথমে ডিফ্রস্ট, তারপর পুরোপুরি শুকিয়ে নিয়ে ফ্রিজ আবার ব্যবহার করুন।

ফ্রিজের বাইরের অংশও রাখুন পরিস্কার : ফ্রিজের ভেতরের মতো বাইরের অংশেও যত্ন নিতে হবে। বছরে অন্তত একবার ফ্রিজের পিছনে বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতিতে জমে থাকা ধুলো এবং ঝুল পরিষ্কার করুন। পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই ফ্রিজে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেবেন। তারপর ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে ব্যবহার করুন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার। দরকার হলে আগে ফ্রিজের ম্যানুয়ালের নির্দেশিকা পড়ে নিন। তারপর শুরু করুন সাফাই অভিযান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা