kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বার্ধক্য এড়াতে চান?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বার্ধক্য এড়াতে চান?

বুড়ো হতে কেউ চায় না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বার্ধক্য আসবেই। তবে সেটাকে ঠেকিয়ে রাখার কয়েকটা উপায় অবশ্যই আছে। 

বার্ধক্য এড়াতে যা কাজে দেয় তার মধ্যে অন্যতম বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মন তরতাজা থাকে। কিন্তু এমন অনেকেই আছেন যাঁরা ঘুরতে যাওয়া হোক‚ পার্টি করা হোক বা একসঙ্গে সিনেমা দেখার পরিকল্পনা‚ বন্ধুদের বেশিরভাগ ‘প্ল্যান’ থেকেই নিজেকে সড়িয়ে রাখতে ভালোবাসেন। 

এই অভ্যাস ত্যাগ না করলে বুড়িয়ে যাবেন খুব তাড়াতাড়ি জানাচ্ছেন মনোবিদরা। এর মধ্যে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ঘুরতে গেলে এমনিতেই মন মেজাজ ভালো থাকে। আর বন্ধুদের সঙ্গে গেলে তা তো সোনায় সোহাগা। 

বন্ধুদের সঙ্গে বড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থেকে যাঁরা নিজেকে সড়িয়ে নেন গবেষকদের মতে তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা সব থেকে বেশি।

মনোবিদ হেরসা দিয়াজ জানাচ্ছেন, বন্ধুদের প্রত্যেকটি পরিকল্পনা এবং অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে, অচিরেই বুড়িয়ে যেতে পারেন যে কেউ। হরসার বক্তব্যের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে হার্ভার্ডের গবেষণাও। 

হার্ভার্ড স্টাডি অব অ্যাডাল্ট ডেভেলপমেন্ট-এর বর্তমান পরিচালক ডা.‌ ওয়াল্ডরম্যান জানাচ্ছেন, বন্ধুহীন মানুষের তুলনায় সামাজিক এবং বন্ধুবৎসল মানুষেরা দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন। তবে শুধু বিভিন্ন সামাজিক সম্পর্ক থাকলেই হবে না, সেগুলোকে হতে হবে গভীর সম্পর্ক। সম্পর্কের মধ্যে বেশিরভাগ সময় মতান্তর বা মনান্তর হতে থাকলে সেটা প্রভাব ফেলে স্বাস্থ্যের ওপরে। এতে বার্ধক্য সহজেই চলে আসে। 

সেই একইভাবে ডাঃ ওয়াল্ডরম্যানের মতে, একা থাকাটা আরও ত্বরান্বিত করে বার্ধক্যকে। সব সময়েই যদি বন্ধুদের সমস্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে থাকেন কেউ, তাহলে একাকিত্বে ভুগবেন। সেখান থেকেও ঘনিয়ে আসে বার্ধক্য।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা