kalerkantho

বিশেষজ্ঞ মত

উপসর্গ বহাল থাকলে এনএস-১ নেগেটিভ হলেও বসে না থেকে সিবিসি করাতে হবে

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০৭:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপসর্গ বহাল থাকলে এনএস-১ নেগেটিভ হলেও বসে না থেকে সিবিসি করাতে হবে

জ্বরের তিন দিনের মধ্যে এনএস-১ পরীক্ষায় ডেঙ্গু থাকলে তা পজিটিভ আসবে। এরপর আর এনএস-১ পরীক্ষা করে কোনো লাভ হবে না। ফল নেগেটিভ আসবে। আবার কোনো না কোনো কারণে এনএস-১ নেগেটিভ হলেও রোগের উপসর্গ থেকে যায়। ফলে উপসর্গ বহাল থাকলে এনএস-১ নেগেটিভ হলেও নিশ্চিন্তে বসে না থেকে সিবিসি করাতে হবে। আর পাঁচ-ছয় দিন পরে আইজিজি-আইজিএম করালে যদি ডেঙ্গু থেকে থাকে তবে তা ধরা পড়বে। এ ক্ষেত্রে এনএস-১ নেগেটিভ হলেও রোগীর গায়ে ব্যথা, মাথাব্যথা, বমি, রক্ত আসা, শরীর দুর্বল থাকা, গায়ে র‌্যাশ ওঠার মতো উপসর্গ থাকলে সিবিসি-আইজিএম করা জরুরি।

আইজিজি পজিটিভ হলে আমরা যেমন বুঝতে পারি, রোগীর আগে কোনো একসময় ডেঙ্গু হয়েছিল, আবার আইজিএম পজিটিভ থেকে বুঝতে পারি রোগী রিসেন্ট ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এনএস-১ নেগেটিভ এলেও একই চিকিৎসা চলবে। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সিবিসি রিপোর্টের প্লাটিলেটের অবস্থানের ওপর। যদি প্লাটিলেট এক লাখের নিচে নেমে যায় তবে বুঝতে হবে রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় এনএস-১ পজিটিভ না হয়েও সিবিসিতে প্লাটিলেট কমে যাওয়ার রিপোর্ট আসছে। এবার এমন ধরনের অনেক রোগী পাওয়া গেছে। আর এবার বেশি মৃত্যুর ক্ষেত্রে এমন অনেক জটিলতাও দেখা গেছে।

এ ক্ষেত্রে এনএস-১ কিংবা আইজিএম নেগেটিভ হলে আর সিবিসিতে প্লাটিলেট স্বাভাবিক থাকলে আইজিজি পজিটিভ হলেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ আগে কখনো ডেঙ্গু থাকলেও এখন রিসেন্ট তার ডেঙ্গু নেই বলেই ধরা হবে। তখন রোগীর উপসর্গ থাকলেও সেটা হয়তো অন্য কোনো কারণে হতে পারে।

লেখক : বিএসএমএমইউয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা