kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

টি-শার্টে মানানসই হতে কিছু পরামর্শ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ জুলাই, ২০১৪ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টি-শার্টে মানানসই হতে কিছু পরামর্শ

অনেকের কাছেই সবচেয়ে প্রিয় পোশাক টি-শার্ট। বিগত কয়েক বছরে এই টি-শার্টের আদি চেহারার বেশ বিবর্তন ঘটেছে। মূলত টি-শার্ট প্রথম তৈরি হয় আন্ডারগার্মেন্ট হিসেবে শার্টের নিচে পরার জন্য। ঘাম থেকে কাপড় বাঁচাতে এবং অ্যালার্জি হতে পারে এমন কাপড় যেন ত্বকে সমস্যা না করে তারই সমাধান ছিল টি-শার্ট বানানোর কারণ।
ক্রমেই এই টি-শার্ট মূল কাপড়ের চেহারা পেয়েছে। এর আরামদায়ক বৈশিষ্ট্য, জনপ্রিয়তা এবং চাহিদা আজকের টি-শার্টের চেহারা দিয়েছে। ষাটের দশকে টি-শার্ট ক্রেজ হয়ে দাঁড়ায়। গতানুগতিকভাবে টি-শার্ট তৈরি হয় আরামদায়ক উচ্চমানসম্পন্ন কটন দিয়ে। তবে যেহেতু এই কটন তার রং এবং আকার ধরে রাখতে পারে না, তাই বর্তমানে টি-শার্টকে কটন-মিশ্রিত কাপড় দিয়ে বানানো হচ্ছে।
পিমা এবং ইজিপশিয়ান কটনকে সবচেয়ে ভালো মানের ধরা হয়। কম্বেড কটন আরেক ধরনের সুতো যা ভালো মানের টি-শার্ট দিয়েছে। এ ছাড়া স্প্যানডেক্স, লিকরা এবং অন্যান্য উদ্ভাবীত দারুণ সব সুতোর মিশ্রণে উন্নত কটন তৈরি করা হয়েছে। এসব কাপড়ে বানানো টি-শার্ট তার আকার ধরে রাখতে পারে এবং রং নষ্ট হয় না। তবে পলেস্টরকেও অনেকে টি-শার্টের কাপড় হিসেবে পছন্দ করেন।
তাই টি-শার্ট কিনলেই চলবে না। আপনার জন্য তা মানাসই হতে হবে। এখানে জেনে নিন টি-শার্টের কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে কিনতে হয়।
১. প্যান্টের বেল্ট এবং উরুসন্ধির মাঝামাঝি পর্যন্ত লম্বা হবে টি-শার্ট। তবে মেয়েদের জন্য নিতম্বের ঠিক ওপর পর্যন্ত হবে লম্বার মাপটি।
২. বিভিন্ন লোগো এবং কারুকাজের টি-শার্ট বেশ সুন্দর দেখায়। এসব ডিজাইন এবং ছবি ব্যাপক সুন্দর চেহারা দেয় টি-শার্টের।
৩. সাধারণ জিন্স এবং শর্ট প্যান্টের সঙ্গে টি-শার্ট পরা হয়। এ ছাড়া খাকি এবং ক্যাজুয়াল স্ল্যাকের সঙ্গেও মানানসই।
৪. গলার ডিজাইনের ক্ষেত্রে সব ধরনই চলনসই। তবে ভি-নেক সেক্সি এবং স্পোর্ট লুক দেয়।
৫. ক্যাজুয়াল লুকের জন্য স্পোর্ট কোট এবং ব্লেজারের নিচেও টি-শার্ট স্মার্ট দেখায়। মেয়েরা কার্ডিগানের নিচে পরতে পারেন।
৬. টি-শার্টের নিচে সেলাই দেওয়া থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।
৭. স্পোর্ট কোটের নিচে লম্বা হাতার টি-শার্ট বেশ স্টাইলিশ। শীতের জন্য দারুণ ফ্যাশন।
৮. শার্টের ওপরে কখনো টি-শার্ট পরতে নেই।
৯. সব সময় পরিষ্কার টি-শার্ট পরা উচিত। এতে ছেঁড়া বা ফুটো থাকলে পরা উচিত নয়।
১০. দুই-তিন দিন পর পর টি-শার্ট ধুতে হবে। এতে পোশাকটি পরিষ্কার হয় ও যত্নে থাকে। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার
 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা