kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতা

২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের নানামুখী উন্নয়নের সঙ্গে শব্দদূষণের মাত্রাও সমান তালে বাড়ছে। শ্রবণক্ষমতার বাইরে অতিরিক্ত শব্দ আমাদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। শব্দদূষণের অন্যতম কারণ উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো। এ ছাড়া ভবনের নির্মাণকাজ, কলকারখানা, মাইকিং আরো অন্য কারণেও প্রতিনিয়তই শব্দদূষণ হচ্ছে। একজন মানুষের স্বাভাবিক শব্দ গ্রহণের মাত্রা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবল। কিন্তু রাজধানীতে এর মাত্রা স্বাভাবিক সীমার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। শব্দদূষণের ফলে বধিরতা, হার্টের রোগ, কণ্ঠনালির প্রদাহ, মস্তিষ্কের রোগ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে। শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও এর প্রভাব ভয়াবহ। মেজাজ খিটমিটে হয়ে যাওয়া, আচরণে উগ্রতা, অবসাদ, কাজে অনীহা সৃষ্টি হয়। শব্দদূষণ আইন থাকলেও প্রয়োগ দেখি না।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর অধীনে ২০০৬ সালে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার ৯ ধারায় উচ্চৈঃস্বরে গান-বাজনাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। যার কোনোটির প্রয়োগ চোখে পড়ে না। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় গান-বাজনা নিষিদ্ধ থাকলেও মানছে না কেউ। শব্দদূষণ প্রতিকারে একমাত্র জনসচেতনতা ও সুষ্ঠু আইনের প্রয়োগই পারে এর মাত্রা কমিয়ে আনতে। ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

আফসানা ইতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

মন্তব্য