kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ মে ২০১৯। ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ১৮ রমজান ১৪৪০

মাউশির দৃষ্টি আকর্ষণ

১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সারা দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। জাতীয় মেধাতালিকা করে এসব সুপারিশ করা হয়। কিন্তু নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিটি পদে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে এসব শিক্ষককে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রতিষ্ঠানের কমিটি নানাভাবে তাঁদের হেনস্তা করছে। অর্থ দাবি করা হচ্ছে। কমিটি রেজল্যুশন দিচ্ছে না। বিভিন্ন অজুহাতে সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান ব্যস্ততা দেখিয়ে কাগজপত্র দিচ্ছেন না। এদিকে তিন মাস আগে নিয়োগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত বেতন-ভাতা নেই। স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এসব শিক্ষক নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও এমপিও নামক এক জটিলতা তৈরি করে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নানাভাবে টাকা আদায় করছে। কারণে-অকারণে তৈরি করা হচ্ছে নানা জটিলতা। প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেওয়া হচ্ছে না। এমপিও নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নানা জটিলতা। কাগজপত্র স্বাক্ষর করেন না সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান। এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বেতন-ভাতা প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

রাহাত সরকার, নিয়োগপ্রাপ্ত একজন ভুক্তভোগী শিক্ষক, ঢাকা।

মন্তব্য