kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

ভেজালে সয়লাব

১১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাদ্যে ভেজাল। ওষুধে ভেজাল। চালে, ডালে, মাছে, তেলে ভেজাল। ভেজালের কারণে ঝরে যাচ্ছে প্রাণ। খাদ্যে ভেজাল নিয়ে বিগত কয়েক বছর অনেক আলোচনা হয়েছে। ভেজালবিরোধী অভিযানও পরিচালিত হয়েছে। খাবারের মান নির্ণয় করতে রেস্তোরাঁগুলোর জন্য গ্রেডিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সব কিছুর পরও ভেজাল দেওয়ার বিষয়টি যেন নির্ভেজালই রয়ে গেছে। প্রতিদিন রাজধানীর ৬০ লাখ মানুষকে হোটেল-রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু মানুষ জেনে কিংবা না-জেনে ভেজাল খাবার খাচ্ছে। এক শ্রেণির মানুষ শুধু ব্যবসায় বেশি মুনাফার আশায় ভেজাল করে থাকে। ভেজাল খাবার খেয়ে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ ক্যান্সার, ডায়াবেটিসসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সবার জন্য নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা দেওয়া সহজ নয়। কিন্তু ভেজাল যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ভেজাল করার রাসায়নিক দ্রব্যের সহজপ্রাপ্যতা বন্ধ করতে হবে। ভেজালদ্রব্য উৎপাদনকারী কারখানাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। এ জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা। কৃষক, ছাত্র-শিক্ষক, ভোক্তা, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক দল, প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে ভেজাল প্রতিরোধে সোচ্চার হতে হবে।

নজরুল ইসলাম লিখন

রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

মন্তব্য