kalerkantho

রবিবার । ২৬ মে ২০১৯। ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২০ রমজান ১৪৪০

শিশুদের প্রতি নজর দিন

৩১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিশুদের প্রতি নজর দিন

কথায় আছে, ‘আজকের শিশু আগামী দিনের কাণ্ডারি।’ আজকে জন্ম নেওয়া শিশুটি হাঁটি হাঁটি পা পা করে একসময় বেড়ে উঠবে। শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে শিশু প্রবেশ করবে তারুণ্যে। শক্ত হাতে হাল ধরে পাল উড়াবে দেশের। সব বাধা-বিপত্তি ঠেলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একসময় সে শিশুটির পরিপক্ব কাঁধে ভর করে মাথা তুলে দাঁড়াবে দেশ। কিন্তু আদৌ এটা কি সম্ভব? আমরা কি অনাগত কিংবা সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটির জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছি? এর উত্তর আমাদের জানা নেই। আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্ব শিশুদের জন্য সেই সুন্দর পরিবেশটুকু গড়ে তুলতে পারেনি এখনো। আমরা শিশুদের মনের মতো সুন্দর বাসস্থান তৈরি করতে পারিনি। এই ব্যর্থতার দায় যতটা না পরিবার ও সমাজের, তার চেয়ে বেশি রাষ্ট্র ও বিশ্বের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ-সংঘাত এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অস্ত্রের ঝনঝনানি আর হিংস্রতার মধ্যে বেঁচে থেকেও ধুঁকে ধুঁকে মরছে লাখো শিশু। বিশ্বে প্রতিবছর এক লাখ শিশু যুদ্ধের কারণে মারা যায়। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ শিশু যুদ্ধ ও সংঘাতের মধ্যে জীবন যাপন করছে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন কোমল হৃদয়ের অধিকারী। নিমেষে সহজ-সরল শিশুদের সঙ্গে সহজে মিশে যেতে পারতেন। মানুষটি বেঁচে থাকলে শিশুদের জন্য অনেক কিছু করে যেতেন—এটা নিশ্চিত বলা যায়। আমরা মানবিকভাবে চাইলে ওই শূন্যতার কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারি। আমরাই পারি আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা শিশুদের বুকে টেনে নিতে। একটু সচেতন হলেই পারি শিশু নির্যাতন রোধ করতে। শিশুদের প্রতি এটুকু ভালোবাসা থাকলেই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনায়াসে শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা যায়। আসুন, শুরু করি।

হিমু চন্দ্র শীল, কক্সবাজার।

মন্তব্য