kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

সুরসাধক খালিদ হোসেন চলে গেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুরসাধক খালিদ হোসেন চলে গেলেন

চলে গেলেন বরেণ্য নজরুলসংগীত শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতগুরু খালিদ হোসেন। গতকাল বুধবার রাত সোয়া ১০টায় রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

খালিদ হোসেনকে গত ৪ মে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি হৃদরোগ, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার পৈতৃক ভিটা কুষ্টিয়ায় মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

খালিদ হোসেনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। ব্রিটিশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দেশভাগের পর তিনি পরিবারের সঙ্গে কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়ায় চলে আসেন। ১৯৬৪ সালে তিনি ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

সুরসাধক খালিদ হোসেন পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশে নজরুলগীতির শিক্ষক, গবেষক ও শুদ্ধ স্বরলিপি প্রণয়নে কাজ করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ টেক্সট বুক বোর্ডে সংগীত নিয়ে প্রশিক্ষক ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নজরুল ইনস্টিটিউটে নজরুলসংগীতের আদি সুরভিত্তিক নজরুল স্বরলিপি প্রমাণীকরণ পরিষদেরও সদস্য ছিলেন তিনি।

খালিদ হোসেনের ছয়টি নজরুলসংগীতের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর একমাত্র আধুনিক গানের অ্যালবাম ‘চম্পা নদীর তীরে’। এ ছাড়া এই সুরসাধকের ১২টি ইসলামী গানের অ্যালবাম রয়েছে। তাঁর সর্বশেষ নজরুলগীতির অ্যালবাম ‘শাওনও রাতে যদি’।

নজরুলসংগীতে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০০ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক পান খালিদ হোসেন। এ ছাড়া তিনি নজরুল একাডেমি পদক, শিল্পকলা একাডেমি পদক, কলকাতা থেকে চুরুলিয়া পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা