kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ সমর্থক খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান   

২০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বান্দরবানে আওয়ামী লীগ সমর্থক খুন

বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা রাবারবাগান এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এবার নিহত হয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থক ক্যচিং থোয়াই মারমা (২৮)। রাজবিলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ৫ নম্বর রাবারবাগান এলাকায় শনিবার রাত ১টার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ নিয়ে গত ১২ দিনে ওই এলাকায় তিনজন খুন ও একজন আহত হয়েছেন।

নিহত ক্যচিং থোয়াই একজন মুদি দোকানি। তাঁর বড় ভাই ক্যচিং অং রাজবিলা ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। বান্দরবান সদর থানার ওসি খুনের খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্বজনরা জানায়, রাত ১টার দিকে সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগ নেতা ক্যচিং অংকে খুঁজতে তাঁর বাড়ি যায়। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ছোট ভাই ক্যচিং থোয়াইকে ঘুম থেকে তুলে অস্ত্রের মুখে নিয়ে যায়। বাড়ির পাশের রাস্তার ওপরই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

গত ৭ মে রাতে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) নেতা বিনয় তঞ্চঙ্গ্যা (৩১)। এ হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা পুরাধন তঞ্চঙ্গ্যা (৩২) নামের আরো একজন জেএসএস সমর্থককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এখনো তাঁর সন্ধান মেলেনি। এর দুই দিন পর ৯ মে রাতে পাশের কুহালং ইউনিয়নের জেএসএস সমর্থক জয়মনি তঞ্চঙ্গ্যাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

প্রথম দুটি ঘটনায় জেএসএস সংস্কারবাদী গ্রুপের মদদপুষ্ট ‘মগ পার্টি’কে দায়ী করা হলেও শনিবার রাতের ঘটনা কারা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয়রা বলছে, রাজনৈতিক মতাদর্শের চেয়ে আধিপত্য নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের কারণেই খুন ও পাল্টা খুনের এসব ঘটনা ঘটছে।

বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে সংঘটিত খুনোখুনির এ ঘটনায় জনমনে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার জানিয়েছেন, জনগণের নিরাপত্তা বিধানে এলাকাটিতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা